ত্রিপুরা
জীবিত থাকতে মেলেনি পেনশন, আদালতের হস্তক্ষেপে পেলো পরিবার
টিএফডিপিসি (ত্রিপুরা ফরেস্ট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট কর্পোরেশন) থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন অনেক আগেই। অবসর গ্রহণের চার বছর পরে আবার মারাও যান। জীবদ্দশায় পেনশনটুকুও পেলেন না দীপ্তিময় চক্রবর্তী নামে ওই গাড়িচালক।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের টিএফডিপিসিতে ড্রাইভার পদে কর্মরত ছিলেন দীপ্তিময়। বহু চেষ্টা করেও জীবিত থাকতে তিনি তার পারিবারিক পেনশন চালু করতে পারেননি। একাধিকবার তিনি এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন হন্যে হয়ে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
শেষমেষ আদালতের হস্তক্ষেপে সম্প্রতি পারিবারিক পেনশন পেলো মৃতের পরিবার। আদালত অবশ্য এক্ষেত্রে যাদের কারণে এই হয়রানির শিকার হতে হয়েছে তাদের আর্থিকভাবে জরিমানা করার নির্দেশ দেয়। অর্থাৎ এই নির্দেশের ফলে টিএফডিপিসি এবং এম্প্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড কর্তৃপক্ষকে আর্থিকভাবে জরিমানা করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৩০ মে টিএফডিপিসি থেকে অবসর গ্রহণ করেন দীপ্তিময় চক্রবর্তী। এরপর ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হন তিনি। কিন্তু টিএফডিপিসি ও এম্প্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের খামখেয়ালিপনায় মৃত্যুর আগ পর্যন্তও চালু করা যায়নি তার সামাজিক পেনশন।
মৃতের পরিবার জানিয়েছে, একাধিকবার এ নিয়ে দুই দপ্তরে দৌড়ঝাপ করার পর বাধ্য হয়ে স্ত্রী রমা চক্রবর্তী ও পুত্র তৃপ্তিময় চক্রবর্তী মামলা দায়ের করেন ত্রিপুরা উচ্চ আদালতে।
কয়েকদিন আগে উচ্চ আদালতের বিচারপতি অরিন্দম লোধ মামলাটির চুড়ান্ত শোনানিকালে সংশ্লিষ্ট দুটি দপ্তরকে ১৫ হাজার রুপি করে মোট ৩০ হাজার রুপি জরিমানা করার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে পরবর্তী ছয় সপ্তাহের মধ্যে মৃতের পরিবারকে সব ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও নির্দেশ দেয় আদালত।
এমএসএম