পাকিস্তানে ওষুধের দাম বাড়লো ২০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:১৮ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৩
ছবি: সংগৃহীত

সব ওষুধের দাম বাড়িয়েছে চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগতে থাকা পাকিস্তান। দেশটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম ২০ শতাংশ ও জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম ১৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) ওষুধের দাম বাড়ানোর অনুমোদন দেয় পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমন্বয় কমিটি (ইসিসি)।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কয়েক মাস ধরেই পাকিস্তানে ওষুধের সংকট চলছে। বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে ওষুধ আমদানি করতে পারছিল না দেশটি। একইসঙ্গে ওষুধ শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছিল।

আরও পড়ুন>> রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে ইউক্রেনকে গোলাবারুদ দিচ্ছে পাকিস্তান

ওষুধের দাম বাড়ানোর বিষয়ে গত এক মাস ধরে পাকিস্তান ফার্মাসিউটিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (পিপিএমএ) ও সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। জানা যায়, পিপিএমএ ওষুধের দাম ৩৯ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। তাদের দাবি, দাম ঠিক মতো না বাড়ালে এ শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।

রয়টার্স বলছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পেতে আমদানিকৃত পণ্যে ভর্তুকি বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এর জেরে পণ্যের দাম আগের থেকে বাড়তে শুরু করেছে। গত মার্চেও পাকিস্তানের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৩৫ শতাংশ। বর্তমানে দেশটিতে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪৭ শতাংশ হয়েছে।

আরও পড়ুন>> একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে আইএএসজির প্রস্তাব

কয়েক মাস পরেই পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন। তার আগে ওষুধের দাম অত্যধিক বাড়ানোর বিপক্ষে ছিল দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার। তাদের শঙ্কা ছিল, ওষুধের দাম বাড়ালে জনসমর্থন হারিয়ে যেতে পারে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে জাতীয় নির্বাচনে।

এদিকে, ওষুধের দাম বাড়ানো নিয়ে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, পাকিস্তানি রুপির মূল্য বাড়লে তিন মাস পরে আবার ওষুধের দাম পর্যালোচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, পিপিএমএ ওষুধের দাম বাড়ানো নিয়ে সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, যে দাম বাড়ানো হয়েছে, তা তাদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ।

আরও পড়ুন>> পাকিস্তানে ১৯৬৫ সালের পর সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি

সূত্র: ডন

এসএএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।