ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিট
ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৬ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। ১০টি ট্রাভেল এজেন্সির মালিকের পক্ষে এলহাম ট্রাভেল করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জুমান চৌধুরী এ রিট আবেদন করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন এ রিট দায়ের করেন।
রিটে গত ১ জানুয়ারি প্রকাশিত ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রিট দায়েরের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন।
রিটে বলা হয়েছে, এটি একটি কালো অধ্যাদেশ। এ অধ্যাদেশের একাধিক ধারা, উপধারা ও দফা আইনগত সীমা অতিক্রম করেছে এবং সংবিধান স্বীকৃত অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। এক এজেন্সি অন্য এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে না।
শুনানি ব্যতীত ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ স্থগিত, জেল ও জরিমানার বিধান বৃদ্ধি, ১০ লাখ টাকা জামানতের বিধান, ট্রাভেল এজেন্সির ভৌত ঠিকানায় রিক্রুটিং এজেন্সি থাকতে পারবে না–অধ্যাদেশের এ ধারাগুলো বাতিল ও গেজেটের স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে রিটে।
গত ১ জানুয়ারি প্রকাশিত হয় ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৬। এ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)।
এফএইচ/এমকেআর