বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
‘খোঁড়া যুক্তিতে’ স্থগিত নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবি আইনজীবীদের
দেশের আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক ও তদারক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দিয়েও তা স্থগিত করা হয়েছে। এই নির্বাচন আবার কবে হবে সে বিষয়ে এখনো কোনো আভাস দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইনজীবীরা।
তাদের অভিযোগ, জ্বালানি সংকটের খোঁড়া যুক্তি দেখিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি করে সংগঠনের ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছেন ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সমর্থক আইনজীবীরা। যদিও অ্যাটর্নি জেনারেল এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
তিন বছর পরপর নির্বাচন
বার কাউন্সিল নির্বাচন হয় তিন বছর পরপর। এতে ১৪টি পদ বা আসনে ভোট হয়। এর মধ্যে সাধারণ আসনে সাতজন এবং সাতটি অঞ্চলভিত্তিক আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে আরও সাতজন নির্বাচিত হন। সরাসরি ভোটে জয়ী ১৪ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান। আর পদাধিকারবলে সংগঠনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল।
আরও পড়ুন
ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে যে কারণে একচেটিয়া জয় বিএনপিপন্থিদের
মানবতাবিরোধী অপরাধ: চার মামলায় দণ্ডিত ৫৫, আরও চারটিতে বিচার শেষ পর্যায়ে
হাইকোর্টে আপিলেই বাড়ছে শ্রম মামলার জট
কাউন্সিলের সর্বশেষ নির্বাচন হয় ২০২২ সালে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অ্যাডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমান কমিটির প্রায় সবাই সরকারদলীয় বিএনপিপন্থি আইনজীবী বলে জানা গেছে।
ভোটের তারিখ দিয়ে স্থগিত ঘোষণা
বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বার কাউন্সিল নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য গত ২ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করে ১৯ মে ভোটের দিন নির্ধারণ করা হয়। এই ঘোষণায় আইনজীবীদের মধ্যে সাড়া পড়ে যায়। বিভিন্ন দলের সমর্থক আইনজীবীরা নানা প্যানেলভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে থাকেন।
এরই মধ্যে ১৫ এপ্রিল কাউন্সিলের জরুরি সভায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এ বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জ্বালানি সংকটের কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী আইনজীবীদের সারাদেশে নির্বাচনি প্রচারণা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিসহ দেশের বিভিন্ন বার সমিতির কাছ থেকে প্রাপ্ত আবেদন ও অনুরোধগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাই কাউন্সিলের জরুরি সভায় আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
বেশির ভাগ আইনজীবীরই ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। এমন না যে নির্বাচন না করার ফলে তারা গাড়িগুলো বন্ধ রাখছেন, জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে। বরং বিষয়টি মনে হচ্ছে একটি খোঁড়া যুক্তি।- ব্যারিস্টার মো. সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল
জ্বালানি সংকটের ব্যাপারটি খোঁড়া যুক্তি
নির্বাচন স্থগিতের জন্য জ্বালানি সংকটের যে ব্যাপারটি সামনে আনা হয়েছে তাকে খোঁড়া যুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল।
তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বার কাউন্সিল চলছে অ্যাডহক কমিটিতে। পেশাজীবীরা চান একটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে চলুক। বার কাউন্সিল যেহেতু আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, এখান থেকে দেশের মানুষ আরও বেশি আশা করে। তবে হ্যাঁ, যদি রাষ্ট্রীয় কোনো প্রয়োজন বা নিরাপত্তার কারণ থাকে, তখন নির্বাচন স্থগিত বা দেরি করা যায়। কিন্তু যে যুক্তিতে এটি স্থগিত করা হয়েছে তা যুক্তিযুক্ত কোনো কারণ না।’
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল/ফাইল ছবি
‘প্রথমত বলা হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। কিন্তু আইনজীবীরা ভোট দেন প্রতিটি জেলা বারে। এখন কি ওইদিন ওই কোর্টগুলো বন্ধ? বারগুলোতে দুইদিন ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোটের কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচারিক কার্যক্রমও চলে। আইনজীবীরা কোর্টে গিয়ে বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ভোট প্রয়োগ করেন। এখন জ্বালানি সংকটের কারণে তো কোর্ট বন্ধ হয়নি। তাহলে নির্বাচন কেন বন্ধ হবে,’ প্রশ্ন করেন এই আইনজীবী।
নির্বাচন আয়োজন ঘিরে অতিরিক্ত কত লিটার তেল খরচ হবে বা খরচ বাড়বে সেটি বোধগম্য নয় জানিয়ে সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, ‘আরেকটা পাল্টা যুক্তি আসতে পারে যে, আইনজীবী প্রার্থীরা জ্বালানি খরচ করতে পারেন। কিন্তু বার কাউন্সিলে নির্বাচন হয় সাত-সাত মিলিয়ে ১৪টি পদে। এখানে প্রার্থীও খুব বেশি হয় না। ১৪টি পদের বিপরীতে হয়তো ২০, ২৮ কিংবা ৩০ জন প্রার্থী হতে পারেন। তাদের সবাই সারাদেশে যাওয়া-আসা করেন তাও না। হয়তো তাদের আশপাশের জেলাগুলোতে যান। সাধারণ আসনগুলোতে যেসব প্রার্থী, তারা হয়তো সবগুলো বারে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আর বেশির ভাগ আইনজীবীরই ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। এমন না যে নির্বাচন না করার ফলে তারা গাড়িগুলো বন্ধ রাখছেন, জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে। বরং বিষয়টি মনে হচ্ছে একটি খোঁড়া যুক্তি।’
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত করেছেন ঠিক আছে। কিন্তু এখন তো জ্বালানি সংকট মোটামুটি কেটে যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন বারের নির্বাচনও মোটামুটি শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।- গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী
জ্বালানি সংকট নয়, নির্বাচন স্থগিতের জন্য বরং আরও কার্যকর ও যুক্তিযুক্ত কারণ থাকা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন তিনি।
স্থগিতের কারণগুলো খুব গ্রহণযোগ্য নয়
নির্বাচন স্থগিত করার পেছনে যেসব কারণ দেখানো হয়েছে সেগুলোকে খুব একটা গ্রহণযোগ্য হিসেবে মানতে চান না সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ও গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী।
জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার আসার পর আমরা আশাবাদী ছিলাম যে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবো। স্বাধীনতার পর থেকে যতটুকু পাচ্ছি, তা নিয়ে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু আমরা হতাশ।’
নির্বাচন না হওয়ার কারণে সরকারি দল বিএনপি সংস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। যিনি অ্যাটর্নি জেনারেল হয়েছেন তিনি বিএনপি অনুসারী একজন আইনজীবী। সে হিসেবে বার কাউন্সিল নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না।- বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব মো. ইয়ারুল ইসলাম
সুব্রত চৌধুরী উল্লেখ করেন, আইনজীবীরা বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা আইনজীবী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তিনি বলেন, ‘বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। যে কারণে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সেগুলো খুব গ্রহণযোগ্য না। ঘোষণার যে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে, সেখানে প্রথমে বলা হয়েছে জ্বালানি সংকট। আবার বলা হয়েছে, কয়েকটি আইনজীবী সমিতি আবেদন করেছে যে কয়েকটি সমিতিতে নির্বাচন হচ্ছে। সে কারণে এটি বন্ধ করা হলো।’
‘বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত করেছেন ঠিক আছে। কিন্তু এখন তো জ্বালানি সংকট মোটামুটি কেটে যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন বারের নির্বাচনও মোটামুটি শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি,’ যোগ করেন এই সিনিয়র আইনজীবী।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল/ফাইল ছবি
বিএনপির নিয়ন্ত্রণে সংগঠন
নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমানে সংগঠনটি সরকারি দল বিএনপি-সমর্থিত আইনজীবীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং এতে করে তা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব মো. ইয়ারুল ইসলাম।
জাগো নিউজের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, দেশের আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। এখানে দেশের আইনজীবীদের সনদ দেওয়া এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রতি তিন বছর অন্তর নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এসে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করেছিল। বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ একটি ইস্যু দেখিয়ে, জ্বালানির সংকট উল্লেখ করে নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। কবে আবার তা হবে এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।’
বার কাউন্সিলে কোনো সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয় না, বরং নিয়মিতভাবে কমিটির সদস্যদের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতেই তা গৃহীত হয়। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট সভায় উপস্থিত সব সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গৃহীত হয়েছে।- অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল
এ ঘটনায় মর্মাহত হয়েছেন উল্লেখ করে ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখানোটা আইনজীবীরা ভালোভাবে নেননি। যেখানে এশিয়ার বৃহত্তম আইনজীবী সমিতি ঢাকা বারে নির্বাচন হয়েছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন হতে যাচ্ছে, দেশের অনেক জেলায় নির্বাচন হয়েছে, কোনো সেক্টরে তো কাজ বন্ধ নেই, রাষ্ট্রের সব কাজ স্বাভাবিক গতিতেই চলছে, সেখানে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচন না হওয়ার কারণে সরকারি দল বিএনপি সংস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। যিনি অ্যাটর্নি জেনারেল হয়েছেন তিনি বিএনপি অনুসারী একজন আইনজীবী। সে হিসেবে বার কাউন্সিল নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না। সেখানে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে। নির্বাচন না হওয়ার ফলে সেটা হচ্ছে না। নির্বাচন বন্ধ হওয়ার ফলে আমরা আইনজীবী সমাজ ক্ষুব্ধ। আমরা চাচ্ছি নির্বাচনের তফসিল যেন পুনরায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘোষণা করা হয়।’
অ্যাটর্নি জেনারেলের দাবি: সম্মিলিত মতেই সিদ্ধান্ত
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জাগো নিউজকে বলেন, ‘বার কাউন্সিলের বর্তমান কার্যক্রম একটি অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। আগের নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বর্তমান সরকার ১৩ সদস্যের এই অন্তর্বর্তী কমিটি গঠন করে। পদাধিকারবলে আমি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। আগের অ্যাডহক কমিটিতেও আমি সদস্য ছিলাম।’
আরও পড়ুন
অবিলম্বে বার কাউন্সিল নির্বাচনের দাবি এনসিপির আইনজীবীদের
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত
নারী-শিশু নির্যাতন মামলায় সাজার হার ৩ শতাংশ, খালাস ৭০
তিনি দাবি করেন, বার কাউন্সিলে কোনো সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয় না, বরং নিয়মিতভাবে কমিটির সদস্যদের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতেই তা গৃহীত হয়। নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট সভায় উপস্থিত সব সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছে। ওই সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এমনকি যারা অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, যেমন অ্যাডভোকেট শাহ খসরুজ্জামানসহ অন্যরাও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।
‘সুতরাং, নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি কোনো ব্যক্তির একক সিদ্ধান্ত নয়। এটি বার কাউন্সিলের সব সদস্যের সম্মিলিত ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত,’ যোগ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
এফএইচ/একিউএফ/এমএমএআর