মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামির সাজা কমে যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৫ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

নড়াইলের লোহাগড়া এলাকার গৃহবধূ রুপা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রায় দেন।

সেইসঙ্গে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও একবছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির সাজা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ড থেকে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া তিন আসামিকে অবিলম্বে কনডেম সেল থেকে সাধারণ সেলে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে এদিন আসামিপক্ষের শুনানিতে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এসএম শাহজাহান, শিরিন আফরোজ ও এসএম আমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।

যাদের মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- দৌলত ফকির, ইকবাল শেখ ও ফিরোজ মোল্লা। আর জাজিরুন নিসার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। তবে, আরেক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি শিরিন আক্তার মিলি পলাতক থাকায় তার বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি আদালত।

জানা যায়, ২০০৫ সালের ৮ আগস্ট রাতে দুই সন্তানের জননী রুপা বানুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল মান্নান পরদিন নড়াইলের লোহাগড়া থানায় মামলা করেন। এ মামলায় নিম্ন আদালত ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন কারাবন্দি আসামিরা। অন্যদিকে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য নিম্ন আদালত থেকে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়।

উভয় আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে ২০১৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন কারাবন্দি চার আসামি। এ আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ রায় দিলেন।

এফএইচ/এসএইচএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]