গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১২ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২২

অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলীসহ (বাবু) তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ইয়াসমিন এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত অপর দুই আসামি হলেন-গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেন ও আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মো. সারোয়ার হোসেন বাবুল।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বিষয়টি জানিয়েছেন।তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সংলগ্ন জমি ক্রয়ের কাজে মো. দেলোয়ার হোসেন ও মীর মুর্ত্তজা আলী (বাবু) পরষ্পর যোগসাজশে এবং দলিল লেখক মো. সারোয়ার হোসেন বাবুলের সহযোগিতায় বিভিন্ন খাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত দলিলের মূল্য ও রেজিস্ট্রি ফি প্রদর্শন করে ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত বছরের অক্টোবরে তাদের অভ্যন্তরীন তদন্তে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাতের সত্যতা পেয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পিবিআই অভিযোগের বিশদ তদন্ত করে ৭৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৯০ টাকা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আত্মসাতের প্রমান পাওয়ায় গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেন, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলী (বাবু) ও আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মো. সারোয়ার হোসেন বাবুলের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৩/৪০৮/৪২০/৩৪ ধারায় প্রতিবেদন দাখিল করে।

জেএ/ইএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]