নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: মুরসালিন হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৯ জুলাই
রাজধানীর নিউমার্কেটে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে দোকান কর্মচারী মুরসালিনের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (৮ জুন) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেননি। এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুভ্রা চক্রবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে মুরসালিনের মৃত্যুর ঘটনায় গত ২১ এপ্রিল রাতে তার ভাই নুর মোহাম্মদ মামলা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) সূত্রে জানা যায়, আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মুরসালিনের মৃত্যু হয়। তার ময়নাতদন্ত করেন ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. মনিকা খন্দকার।
নিহত মুরসালিন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বাডাকান্দি গ্রামের মো. মানিক মিয়ার ছেলে। তিনি কামরাঙ্গীরচরে থাকতেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মুরসালিন দ্বিতীয়। এছাড়া এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন তিনি। তার স্ত্রীর নাম মিতু আক্তার।
নিউমার্কেট থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) হালদার অর্পিত ঠাকুর জানান, নিউমার্কেটের সামনে মুরসালিন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। এরপর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
গত ১৭ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরের দিন ১৮ এপ্রিল সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
এতে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাহিদ হাসান নামে এক কুরিয়ারকর্মী।
জেএ/জেডএইচ/জিকেএস