ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:০৪ পিএম, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ সাইফুর রহমানের পাঠানো শোকবার্তায় প্রধান বিচারপতি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছাড়াও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী সাজু হোসেন ইংরেজি দৈনিক দি নিউ নেশনের চেয়ারপারসন।

জাগো নিউজকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার পিএস ওয়াহিদুজ্জামান। ওয়াহিদুজ্জামান জানান, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের প্রথম নামাজে জানাজা রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বারিধারা জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ জোহর সুপ্রিম কোট প্রাঙ্গণে আরেকটি নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বিখ্যাত সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ছেলে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ১৯৬১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তারপরে মিডল টেম্পল এ আইন বিষয়ক পড়াশোনা করেছেন। ১৯৬৫ সালে বার থেকে ব্যারিস্টার-ইন-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

মইনুল হোসেন ১৯৭৩ সালে পিরোজপুর থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে তিনি তার পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পরে তিনি খন্দকার মোশতাক আহমেদ পরিচালিত দল ডেমোক্র্যাটিক লীগে যোগ দেন এবং ৩ নভেম্বর মোশতাক সরকারের পতন পর্যন্ত তিনি ডেমোক্র্যাটিক লীগেই ছিলেন।

বাংলাদেশ এর সংবাদ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন মইনুল হোসেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে ২০০০-২০০১ মেয়াদে নির্বাচিত হন।

এফএইচ/এমএইচআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।