ব্যাচেলরদের শোবার ঘর গুছিয়ে রাখার সহজ কৌশল

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:১৪ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতীকী ছবি, এআই দিয়ে বানানো

দিনভর কাজের চাপ আর ব্যস্ততার পর ঘরে ফিরে যে জায়গাটায় সবচেয়ে বেশি স্বস্তি মেলে, সেটি হলো নিজের শোবার ঘর। পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি একটি ঘর মানসিক শান্তিরও বড় উৎস। কিন্তু একা থাকা মানুষদের, বিশেষ করে ব্যাচেলরদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ঘর গুছিয়ে রাখা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। একটু সচেতনতা আর কিছু নিয়ম মেনে চললে প্রতিদিনই ঘর থাকবে ঝরঝরে।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন

শোবার ঘরে যত কম জিনিস থাকবে, গুছিয়ে রাখা তত সহজ হবে। বিছানার ওপর অতিরিক্ত বালিশ, পুরোনো চাদর বা ব্যবহার না হওয়া কম্বল রাখবেন না। শীত শেষ হলে ভারী কমফোর্টার গুছিয়ে আলাদা করে তুলে রাখুন। প্রয়োজন ছাড়া বিছানায় কিছু রাখার অভ্যাস ত্যাগ করলে পরিষ্কার করাও হয়ে উঠবে ঝামেলাহীন।

গোছানোকে অভ্যাসে পরিণত করুন

সকালে ঘুম থেকে উঠেই সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এই ব্যস্ততার মাঝেই যদি বিছানা গুছিয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, তাহলে আলাদা সময় বের করতে হবে না। ফ্রেশ হয়ে এসে চাদর ঠিক করা, বালিশ গুছিয়ে রাখা এই ছোট কাজগুলো প্রতিদিন করলে একসময় তা অভ্যাসে পরিণত হবে। তখন আর কাজটি বিরক্তিকর মনে হবে না।

আরও পড়ুন: 

নির্দিষ্ট দিন রাখুন বড় পরিষ্কারের জন্য

প্রতিদিন পুরো ঘর ঝাড়ু-মোছা করা সম্ভব হয় না এটাই স্বাভাবিক। তাই সপ্তাহে বা মাসে নির্দিষ্ট একটি দিন ঠিক করে নিন, যেদিন পুরো ঘর ভালোভাবে পরিষ্কার করবেন। এতে ধুলাবালি জমে ঘর অস্বস্তিকর হয়ে উঠবে না এবং কাজের চাপও কম লাগবে।

কাপড় এলোপাতাড়ি রাখবেন না

শোবার ঘর অগোছালো হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা কাপড়। ব্যবহৃত কাপড় বিছানা বা চেয়ারে ফেলে রাখার বদলে আলাদা লন্ড্রি ব্যাগ বা ঝুড়িতে রাখুন। পরিষ্কার কাপড় ঝুলিয়ে রাখার জন্য কয়েকটি হ্যাঙ্গার ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঘর যেমন গোছানো থাকবে, তেমনি কাপড়ও থাকবে ভালো অবস্থায়।

কাগজপত্রের আলাদা জায়গা রাখুন

ওষুধ, জরুরি কাগজ কিংবা ছোটখাটো দরকারি জিনিস অনেক সময় বিছানার আশপাশেই পড়ে থাকে। এগুলোর জন্য বিছানার পাশে ছোট টেবিল, ড্রয়ার বা তাক ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট জায়গায় রাখলে প্রয়োজনের সময় খুঁজে পেতেও সুবিধা হবে, আর ঘরও থাকবে পরিচ্ছন্ন।

জেএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।