৯০৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ

ডেপুটি গভর্নরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দুদকের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৭ পিএম, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
দর্নীতি দমন কমিশন/ফাইল ছবি

ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির ৯০৩ কোটি ৬৭ লাখ ২ হাজার ৬২১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পর্যবেক্ষক ও বর্তমানে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ভুয়া কাগজপত্র ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া নাগরিক কাজের চুক্তি দাখিলের মাধ্যমে অভিযুক্তরা এই অর্থ আত্মসাৎ করেন।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় ডেপুটি গভর্নর কবির আহম্মেদ ছাড়াও অনুমোদিত মামলায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক রন হক সিকদার, পারভীন হক সিকদার ও মনোয়ারা সিকদারকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—এছাড়া ব্যাংকটির সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমান, ডিএমডি আরীফ মো. শহীদুল হক, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী মোসতাক আহমেদ (ওরফে সি এম আহমেদ), সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ ওয়াদুদ, সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) এ এস এম বুলবুল, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান আবু রাশেদ নওয়াব, সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমান ও মাবরুর হোসেন, ব্লুম সাকসেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের এমডি আহমেদ জালাল খান মজলিশ, পরিচালক খাদিজা আক্তার, জুপিটার বিজনেস লিমিটেডের পরিচালক মোসফেকুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মমতাজুর রহমান, এম এস কন্সট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপার্স মালিক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, টেক ইনটেলিজেন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামিল হুসাইন মজুমদার, ক্রিস্টাল কনস্ট্রাকশানের এমডি সালাহ উদ্দীন খান মজলিশ, পরিচালক আব্দুর রউফ, বেঙ্গল অ্যান্ড এম সার্ভিসের মালিক জন হক সিকদার, মেসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজের মালিক সৈয়দ মাহবুব-ই-করিম ,সিকোটেক হোল্ডিংস লিমিটেডের এমডি মাহফুজুর রহমান, শফিকুল ইসলাম ও কৌশিক কান্তি পন্ডিত।

আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ভুয়া নাগরিক কাজের চুক্তি দাখিল করে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করেন অভিযুক্তরা। উত্তোলন করে ঋণের টাকা নগদে, পে-অর্ডার ও ক্লিয়ারিংয়ের মাধ্যমে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে ঋণের আসল ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। যা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনাদায়ে সুদ ও অন্যান্য চার্জ বাবদ প্রাপ্য ৩০৩ কোটি ৬৭ লাখ ২ হাজার ৬২১ টাকা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি সাধনসহ সর্বমোট ৯০৩ কোটি ৬৭ লাখ ২ হাজার ৬২১ টাকা আত্মসাত করেছে অভিযুক্তরা।

এসএম/এমএমকে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।