আলটিমেটাম দিয়ে অবরোধ তুলে নিলেন অটোরিকশাচালকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪৯ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
কুড়িল থেকে বাড্ডা-রামপুরা অভিমুখী সড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে/ছবি: মাহবুব আলম

ঢাকা মহানগর এলাকায় চিকন চাকার প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচলের দাবি এবং আকিজ কোম্পানির মোটা চাকার তিন ধরনের অটোরিকশা বিক্রি বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন অটোরিকশা চালকরা। এরপর তারা অবরোধ তুলে নেন। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারও আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন

একই সঙ্গে চিকন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে পুলিশ প্রশাসন কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না বলেও প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন বলে জানান তারা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে এ ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছেড়ে দেন অটোরিকশাচালকরা। এরপর কুড়িল থেকে বাড্ডা-রামপুরা অভিমুখী সড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় বুয়েট উদ্ভাবিত এবং আকিজ গ্রুপ উৎপাদিত মোটা চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বিক্রি ও চলাচল বন্ধ এবং চিকন চাকার প্রায় ২ লাখ ৪১ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচলের দাবিতে রাজধানীর বাড্ডায় মানববন্ধনের ডাক দেন রিকশা ও ভ্যানশ্রমিকরা।

তবে, মানববন্ধনের কথা থাকলেও সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে তারা সড়ক অবরোধ করেন। এতে বাড্ডা-রামপুরা সড়কের উভয় পাশের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র যানজটে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ। অফিসগামী চাকরিজীবীরাও অবরোধে আটকা পড়েন।

পুলিশ জানায়, শ্রমিকদের কর্মসূচিতে সড়ক অবরোধের পূর্ব ঘোষণা ছিল না। তারা কেবল মানববন্ধন করার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু কর্মসূচি চলাকালে উত্তর বাড্ডা ফুজি টাওয়ারের সামনে মূল সড়ক অবরোধ করে দেন অটোরিকশাচালকরা।

ঢাকা বৃহত্তর সিটি করপোরেশনের ব্যাটারিচালিত রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এ কর্মসূচির ডাক দেয়। সংগঠনটির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চিকন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। পথে পথে লাইসেন্স ও কাগজপত্র চেকিংয়ের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। প্রশাসনের এমন আচরণে শ্রমিকদের জীবিকা নির্বাহে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।

এএএইচ/এএমএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।