পুলিশের জন্য এখনই এভিয়েশন ইউনিট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ পুলিশের জন্য আলাদা এভিয়েশন পুলিশ বা এভিয়েশন সার্ভিস গঠনকে এই মুহূর্তে সুবিবেচিত মনে করছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আগে বিদ্যমান সক্ষমতা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময় পুলিশের জন্য রাশিয়া থেকে দুটি হেলিকপ্টার কেনা হলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থ লেনদেন জটিলতার কারণে সেগুলো এখনো দেশে পৌঁছেনি। তবে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে এবং শিগগির সরবরাহ পাওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা এখনো হেলিকপ্টার পাইনি। এমআই-১৭ কি পুলিশ এখন মেইনটেইন করতে পারবে? যেটা মেইনটেইন করতে পারবে, সেরকম অর্গানাইজেশনের জন্য হলে অসুবিধা নেই। হেলিকপ্টারগুলো হাতে পাওয়ার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় আকারের হেলিকপ্টার বিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে এক্সচেঞ্জ করা হতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে র্যাবের একটি হেলিকপ্টার থাকলেও সেটির রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকভাবে হচ্ছে না।
রাজশাহী সফরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই হেলিকপ্টারে উঠতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি।
তিনি আরও বলেন, বিজিবির দুটি হেলিকপ্টারের মধ্যে একটি প্রায়ই মেইনটেন্যান্সে থাকে এবং অন্যটি অচল অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে আলাদা এভিয়েশন ইউনিট গঠনের আগে বিদ্যমান সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রেস্টিজের জন্য কোনো সংস্থার হেলিকপ্টার দরকার হলে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু বাস্তব সক্ষমতা বাড়ানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে পুলিশের সক্ষমতা ও দক্ষতা সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছালে এভিয়েশন ইউনিট গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
টিটি/এসএনআর