জিয়াউদ্দিন হায়দার
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার রুগ্ন দশা সারিয়ে তুলতে ব্যস্ত সরকার
রোগ সারানো নয়, সরকার স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার রুগ্ন দশা সারিয়ে তোলায় ব্যস্ত— এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারেই রুগ্ন। আমরা সেটাকে সারিয়ে তোলার চেষ্টা করছি। আমাদের স্বাস্থ্য সেবায় বরাদ্দ অপ্রতুল। বর্তমান সরকার এটিকে বাড়িয়ে জিডিপির এক শতাংশ হারে করার চিন্তা করছে।
বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হাম বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান, পরিচালক (হাসপাতাল) আবু হোসেন মইনুল আহসান, পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ ও ইউনিসেফ প্রতিনিধিসহ স্বাস্থ্যখাতে নানান অংশীজন অংশ নেন।
আরও পড়ুন
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু
হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, এক কোটি ৮০ লাখ টিকা দেওয়ার টার্গেট আমরা নিয়েছি। এরই মধ্যে এটি পূরণ হয়েছে। টার্গেটের বাইরে বাকি শিশুদেরও আমরা টিকা দেবো। হাম মোকাবিলার একমাত্র উপায় এই টিকা দেওয়া।
তিনি বলেন, আগে সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ছিল না। আমরা গ্রাম ও শহরে এটি করতে চাই। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রথমে সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পদ্ধতি গড়ে তোলা প্রয়োজন। যাতে বাচ্চারা সব ঢাকামুখী না হয়।
হাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতে হাম বেড়েছে। বাংলাদেশে হাম বাড়ার কারণ মোটাদাগে চারটি। ১. পৃথিবীর ৫৩ দেশে হাম বেড়েছে, আমাদেরও বেড়েছে। ২. বিগত সরকার হামের টিকার ক্যাম্পেইন করেনি। ৩. অপুষ্টিতে ভুগছে মা ও শিশু, এটা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে এবং ৪. ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ালে ইমিউনিটি সিস্টেম গ্রো করে। এটিও ক্যাম্পেইনের আওতায় আসেনি। আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা আন্তরিক উদ্যোগ নিয়েছি।
এসইউজে/কেএসআর