পরকীয়া সম্পর্কে ৮ টুকরো করে হত্যা, প্রবাসীর মরদেহ পেলো পরিবার
রাজধানীর মুগদার মান্ডায় পরকীয়া প্রেমিকার হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সৌদি প্রবাসী মোকাররমের আট টুকরো দেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোকাররমের চাচাতো ভাই রিফাতের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান।
গত ১৪ মে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মোকাররম। এরপর রোববার (১৭ মে) মান্ডার প্রথম গলির আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ‘শাহনাজ ভিলা’র বেজমেন্ট থেকে প্রথমে মরদেহের সাতটি অংশে উদ্ধার করা হয়।
এসআই আবু রায়হান জানান, রোববার মান্ডার একটি বাসার বেজমেন্ট থেকে দেহের সাতটি অংশ পাওয়া গেলেও মাথা পাওয়া যায়নি। এদিন রাত আড়াইটার দিকে পাশের ময়লার স্তূপ থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোকাররমের চাচাতো ভাই রিফাত বলেন, আমার ভাই দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। দেশে এসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তার মরদেহ পুলিশের কাছ থেকে বুঝে পেয়েছি। গ্রামে নিয়ে জানাজার পর মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
আরও পড়ুন
প্রবাসীকে ৮ টুকরো করে মরদেহ ফেলে এসে ‘পার্টি’ করেন মা-মেয়ে
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে
জানা গেছে, মোকাররমের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায়। বাবার নাম সোহরাব মিয়া। তার স্ত্রী ও দুই ছেলে রয়েছে।
এদিকে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যার পর মরদেহ আট টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে পলিথিনে ভরে ফেলে রাখার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, পরকীয়া প্রেমিকা তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা (৩১) তার বান্ধবী হেলেনা বেগম (৪০) ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে মোকাররমকে আট টুকরো করে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় প্রধান আসামি হেলেনা বেগম ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৩। তাদের বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার নন্দরামপুর এলাকায়। তবে পরকীয়া প্রেমিকা তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা এখনো পলাতক।
কাজী আল-আমিন/বিএ