সিটি নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ ইসির
আসন্ন ঢাকা (উত্তর-দক্ষিণ) ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ২৮ এপ্রিল এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে বহিরাগতদের অবস্থান ও বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন বন্ধ, অভিযুক্তদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে নির্বাচনী এলাকায় পুলিশি টহল বাড়াতেও প্রশাসনকে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-সচিব মো. সামসুল আলম এ সংক্রান্ত নির্দেশনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার এবং রিটার্নিং ও নির্বাচনী কর্মকর্তা বরাবর পাঠিয়েছেন।
স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্নের ব্যাপারে বরাবরই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।
বহিরাগতদের অবস্থানের ব্যাপারে ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দা ও ভোটার নন, এমন ব্যক্তিরা যেন ২৫ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ করেন। যারা নির্দেশ অমান্য করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশনায়।
নির্দেশনায় নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতার প্রশ্ন বা অভিযোগ উঠলে যাচাই-বাছাই করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এছাড়া নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিবিড় টহলের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই নির্দেশনায়। পাশাপাশি বিধি লঙ্ঘনকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী র্যা ব ও পুলিশ কাজ করবে বলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল ঢাকা (উত্তর-দক্ষিণ) ও চট্টগ্রাম সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তিন সিটিতে অর্ধশতাধিক মেয়র প্রার্থী এবং প্রায় দেড় হাজার কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রার্থীরা ৯ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন। ১০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপরই প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় নামতে পারবেন।
একে/পিআর