প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত : চূড়ান্ত প্রতিবেদন রোববার
হজরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত শেষ হয়েছে। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে আগামী রোববার নাগাদ প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
তিন দিন রাজশাহীতে অবস্থান করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে শুক্রবার ঢাকায় ফিরে তদন্ত কমিটির প্রধান সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র ফ্লাইট অপারেশন ইন্সপেক্টর ক্যাপ্টেন এইচএম আক্তার খান এ কথা জানান।
ক্যাপ্টেন এইচএম আক্তার খান বলেন, ঘটনার পর বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেন তদন্ত কমিটির চার সদস্য। বৃহস্পতিবারও তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সেখান থেকে বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া বিমানবন্দরে কর্তব্যরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ বিমানের যান্ত্রিক কোনো ত্রুটি ছিল কি-না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি জানতে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তবে এটি ওড়ার পরপরই বাঁক নিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রানওয়ের ওপর আছড়ে পড়ে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা এখনই বলা যাবে না। তথ্য-উপাত্তগুলো এখন যাচাই-বাছাই করা হবে। কমিটির অন্য সদস্যদের নিয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুর ২টার দিকে রাজশাহীর শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে তামান্না রহমান (২২) নামে প্রশিক্ষণার্থী পাইলট নিহত হওয়ার পর সাময়িকভাবে সব প্লেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে প্রশিক্ষণার্থী সব পাইলটকে ঢাকায় ডেকে নেওয়া হয়। এতে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির উড্ডয়ন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এসএস/এআরএস/এমএস