প্রশাসনের সহযোগিতায় যৌন নিপীড়ন চলছে
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ছাত্র-শিক্ষক-জনতার সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরোক্ষ সহযোগিতায় যৌন সন্ত্রাস চলছে।
তারা বলেন, পহেলা বৈশাখে নারীর শ্লীলতাহানীর যে ঘটনা ঘটেছে তাতে পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। পুলিশ সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে দলীয় ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে এ জাতীয় ঘটনা বারবার ঘটেছে। খুন,ধর্ষণ হচ্ছে। চলছে নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন যৌন নিপিড়নের বিরুদ্ধে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে এ সমাবেশে আয়োজন করে।
সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ধামাচাপার রীতির কারণে এ জাতীয় ঘটনার বারবার উদ্রেক ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রত্যক্ষভাবে এসব যৌন সন্ত্রাসীদের রক্ষা করছে।
তিনি বলেন, দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব যেমন হয়ে গেছে অপরাধীদের রক্ষা করা তেমনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টরের দায়িত্ব হয়ে গেছে বখাটে ও সন্ত্রাসীদের রক্ষা করা।
অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন, কয়েক গজ দূরে শাহবাগ থানা ও টিএসসিতেই পুলিশের টহল দল রয়েছে। তাদের সম্মুখেই যদি একের পর এক এ জাতীয় জঘণ্য ঘটনা ঘটে তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে আমরা কি করবো। জণগণ এরকম অকার্যকর পুলিশ মানুষ চায় না।
ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, আওয়ামী লীগের দালালী করতে করতে আপনি ঢাবিকে কলঙ্কিত করে ফেলেছেন। তিনি অবিলম্বে এ ভিসি ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লাকি আক্তারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজিব মীর, জাবি শিক্ষক শ্যামল শীল প্রমুখ।
এমজেড/পিআর