কে কত ভোট পেলেন মেয়র প্রার্থীরা


প্রকাশিত: ০১:১৫ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকার দু`টি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী আনিসুল হক, সাঈদ খোকন ও আ জ ম নাছির উদ্দীন জয়ী হয়েছেন। তিন সিটিতে অংশ নেওয়া বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ছাড়া সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তিন সিটি কর্পোরেশেনে ৪২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ তারা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ করে ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ভোটারের সংখ্যা ছিল ২৩ লাখ ৪৪ হাজার ৯০০টি। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৩টি।

এই সিটিতে আনিসুল হক টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে ৪ লাখ ৬০ হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। আর নিকটতম পরাজিত প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বাস প্রতীকে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৮০ ভোট পান। আবদুল­াহ আল ক্বাফী হাতি প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৪৭৫ ভোট। এ ওয়াই এম কামরুল ইসলাম ক্রিকেট ব্যাট প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ২১৬টি। কাজী মো. শহীদুল্লাহ ইলিশ মাছ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২ হাজার ৯৬৮টি। চৌধুরী ইরান আসাদ সিদ্দিকী লাউ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ৯১৫টি। নাদের চৌধুরী ময়ূর প্রতীকে ১ হাজার ৪১২ ভোট পেয়েছেন। বাহাউদ্দিন আহমেদ সরকার চরকা প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২ হাজার ৯৫০টি। মাহী বি চৌধুরী ঈগল প্রতীকে ভোট পান ১৩ হাজার ৪০৭টি। মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ ফ্লাস্ক প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৯৫টি। আনিসুজ্জামান খোকন ডিশ অ্যান্টেনা প্রতীকে ৯০০ ভোট পান। জামান ভূঁইয়া টেবিল প্রতীক দিয়ে ভোট পান ১ হাজার ১৪০টি। জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি টেলিস্কোপ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ৭ হাজার ৩৭০টি। আর শামসুল আলম চৌধুরী চিতাবাঘ প্রতীকে ৯৮২ ভোট পান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন:

ঢাকা দক্ষিণে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৮ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৮৮৯টি। ফলাফল পাওয়া গেছে ৮৮৬টির। ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়েছে তিনটি কেন্দ্রে। নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৯ লাখ ৫ হাজার ৪৮৪ জন। বাতিল হয়েছে ৪০ হাজার ১৩০টি ভোট। ভোট পড়ার শতকরা হার হলো ৪৮ দশমিক ৪। স্থগিত তিনটি কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ৩২৬টি।
 
এখানে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন  ইলিশ মাছ প্রতীকে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২৯৬ ভোট পেয়ে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মির্জা আব্বাস মগ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৯৪ হাজার ২৯১টি।
 
এছাড়া মো. আবদুর রহমান ফ্লাস্ক প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৭৮৪ ভোট। এ এস এম আকরাম ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮২ ভোট। আবু নাছের মুহাম্মদ মাসুদ হোসাইন চরকা প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ১৯৭টি ভোট। অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আয়ুব হোসেন ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫৪টি ভোট। এস এম আসাদুজ্জামান রিপন কমলা লেবু প্রতীকে পেয়েছেন ৯২৮ ভোট। হাতি প্রতীক নিয়ে দিলীপ ভদ্র পেয়েছেন ৬৬৯ ভোট। বজলুর রশীদ ফিরোজ টেবিল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২৯ ভোট। মশিউর রহমান চিতাবাঘ প্রতীকে পেয়েছেন ৫০৮ ভোট। ময়ূর প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ শফি উল­াহ চৌধুরী পেয়েছেন ৫১২ ভোট। হাজি মো. সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন সোফা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১৯ ভোট। আক্তারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল­াহ লাউ প্রতীকে ভোট পান ৩৬২টি ভোট।
 
আবদুল খালেক কেক প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫৫০টি। গোলাম মাওলা রনি আংটি ১ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৮৭ ভোট। জাহিদুর রহমান ল্যাপটপ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮৮ ভোট। বাহারানে সুলতান বাহার শার্ট প্রতীক নিয়ে ৩১২ ভোট পান। রেজাউল করিম চৌধুরী টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছে ২ হাজার ১৭৩ ভোট। শহীদুল ইসলাম বাঘ প্রতীকে পান ১ হাজার ২৩৯ ভোট। জাহাজ প্রতীক নিয়ে শাহীন খান ভোট পেয়েছেন    ২ হাজার ৭৪টি।
 
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন :
 
চট্টগ্রাম সিটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৭১৯টি। ভোট দিয়েছেন আট লাখ ৬৮ হাজার ৬৬৩ জন। ভোটের শতকরা হার ৪৭ দশমিক ৮৯। এখানে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা ৪৭ হাজার ২৯২টি।

এই সিটিতে আ জ ম নাছির উদ্দীন হাতি প্রতীকে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬১ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি এম মনজুর আলম কমলালেবু প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭টি।
 
এছাড়া বাস প্রতীকে আরিফ মইনুদ্দীন পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭৪ ভোট। এম এ মতিন চরকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৫৫টি। শফিউল আলম ইলিশ মাছ প্রতীক ৬৮০ ভোট পেয়েছেন। আবুল কালাম আজাদ দিয়াশলাই প্রতীক ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৩৮৫টি। আলাউদ্দিন চৌধুরী টেলিস্কোপ প্রতীক ২ হাজার ১৫৯ ভোট পান। ওয়াজেদ হোসেন ভূইয়া টেবিল ঘড়ি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৬৮টি। সোলায়মান আলম শেঠ ডিশ অ্যান্টেনা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩১টি। ফ্লাস্ক প্রতীকে সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৬৬১টি। সাজ্জাদ জোহা ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪৫টি ভোট। হোসাইন মো. মুজিবুল হক ময়ূর প্রতীকে পান ৪ হাজার ২১৫টি ভোট।

এইচএস/আরএস/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :