মানহীন বীজ বিক্রি করলে ৩ মাসের জেল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৮ এএম, ২৩ জানুয়ারি ২০১৮

মানহীন বীজ বিক্রি সংরক্ষণ, আমদানি বা বীজ পরিদর্শনে বাধা দিলে তিন মাসের কারাবাস ও ৫০ হাজার টাকা দণ্ডের বিধান রেখে বীজ বিল-২০১৮ পাস করেছে সংসদ।

সোমবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এর আগে বিলের ওপর আনীত অধিকতর যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিলে বলা হয়, সরকার কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার্য এবং বিক্রয়যোগ্য যেকোনো ফসল বা জাতের বীজের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করবে। এজন্য সরকারের একটি জাতীয় বীজ বোর্ড থাকবে। কৃষি সচিব এই বোর্ডেও চেয়ারম্যান থাকবেন।

এই বীজ বোর্ডের নিবন্ধন সনদ ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বীজ ডিলার হিসেবে ব্যবসা করতে পারবে না। বোর্ড বীজের শ্রেণি-বিন্যাস ও মানদণ্ড নির্ধারণ করবে। মানদণ্ড নিশ্চিত না হলে সনদ বাতিল হবে। এজন্য সরকারের বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি থাকবে। এজেন্সির প্রত্যয়ন ছাড়া বীজ সনদ পাওয়া যাবে না। আমদানির ক্ষেত্রে বিদেশি প্রত্যয়ন এজেন্সির সনদ শর্ত সাপেক্ষ গৃহীত হবে।

বীজ আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োজ্য হবে। এছাড়া নিয়ন্ত্রিত কোনো ফসলের বীজ বিক্রয়, সংরক্ষণ, আমদানি বা রফতানি করা যাবে না। বীজ পরীক্ষার জন্য একটি পরীক্ষাগার থাকবে। সরকার প্রয়োজনে যেকোনো বীজ পরীক্ষাগারকে সরকারি পরীক্ষাগার ঘোষণা করতে পারবে।

বিলে আরও বলা হয়, সরকার নিয়োজিত বীজ পরিদর্শক যেকোনো স্থানে পরিদর্শন ও বীজের নমুনা সংগ্রহ করতে পারবেন। বীজ পরিদর্শনে বাধা প্রদান বা বীজ বিক্রয় শর্ত লঙ্ঘন করলে কোনো ব্যক্তি অনধিক ৯০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বিলেল উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিক্রয়, মান নিয়ন্ত্রণ, আমদানি-রফতানি এবং কৃষক পর্যায়ে গুণগত মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহের জন্য দি সিড অর্ডিন্যান্স ১৯৭৭ রহিতক্রমে সংশোধনসহ পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন বিধায় বাংলা ভাষায় আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এইচএস/বিএ

আপনার মতামত লিখুন :