উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একখণ্ড সবুজায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২৭ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রাজধানীর জনসংখ্যা দুই কোটি ছুঁই ছুঁই। সময়ের সঙ্গে শহরে জনসংখ্যা, আকাশচুম্বী ভবন যেমন বাড়ছে তেমনই কমছে চারপাশের সবুজ। আধুনিক নগর জীবনে পার্ক ও মাঠকে বলা হয় ‘নগরের ফুসফুস’। কিন্তু রাজধানীতে পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্ন পার্ক বা খেলার মাঠের বড়ই অভাব। যে কারণে রাজধানীর শিশু-কিশোররা আবদ্ধ হয়ে পড়ছে শিক্ষালয় ও বাসার চার দেয়ালের মধ্যে।

নাগরিকদের এমন অসুবিধার কথা মাথায় রেখে আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও সবুজায়ন প্রকল্পে সংস্কার করা হচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) পার্ক ও খেলার মাঠ। আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও সবুজায়ন প্রকল্পের আওতায় ২৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২২ পার্ক ও চারটি খেলার মাঠ সংস্কার করে অত্যাধুনিকভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে পার্ক ও মাঠ।

park

এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের পার্কের উদ্বোধন করলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ৭ নম্বর সড়কের পার্কের উদ্বোধন করেন তিনি।

park

উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের চারদিকে ইট-পাথর আর কংক্রিটের সুউচ্চ ভবন, রাস্তায় যানবাহনের ভিড়, এরই মধ্যে ক্লান্ত পথিকের হেঁটে চলা। ক্লান্ত পথে নগর জীবনে স্বস্তির খোঁজ পেতে উত্তরার বাসিন্দাদের জন্য সংস্কারের মাধ্যমে পার্কটি খুলে দেয়া হলো।

উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টর দুই দশমিক ৪৫৯ একর জায়গার ওপর পার্কটি সংস্কার করা হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে প্রায় দুই কোটি ৩২ লাখ টাকা।

park

পার্কে সব বয়সের ব্যবহারকারীদের জন্য বিনোদন ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে পর্যাপ্ত বসার স্থান, প্রায় ৭৫০ মিটার ওয়াকওয়ে। শিশুদের জন্য রয়েছে একটি স্লিপার, দুটি দোলনা, ছোট পরিসরে ক্রিকেট খেলার স্থান। সেই সঙ্গে রয়েছে সম্পূর্ণ আলাদা বাইসাইকেল লেন। রাতে নিরাপদে হাঁটাচলার জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। দৃষ্টিনন্দন গেটসহ চারপাশে বাউন্ডারি গ্রিলের ভিতর একটি উন্নতমানের পাবলিক টয়লেট l সেই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে প্রায় ১০০ প্রজাতির বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন করা হয়েছে।

park

উদ্বোধনকালে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এমন ২৪টি পার্ক নগরবাসীর জন্য চালু করা হবে। এসব পার্কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করছি যেন কর্মজীবীরা কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর, রাতেও পার্কে বসতে পারেন। পাশাপাশি যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এটাকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

park

ক্যাসিনো ক্লাবে চলমান অভিযান প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ক্যাসিনো, ক্লাবে চলমান অভিযান প্রশংসার দাবিদার। উত্তরের যদি এমন কোনো ক্যাসিনো বা ক্লাব থাকে তাহলে তা চলতে দেব না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

পার্ক উদ্বোধনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাহারা খাতুন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএস/এএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।