করোনা ভ্যাকসিন বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৬ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

অডিও শুনুন

করোনা ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আশা করা হচ্ছে বিশ্ব শিগগিরই কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন পাবে। এই ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সব দেশ যাতে এই ভ্যাকসিন সময়মতো এবং একই সঙ্গে পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। কারিগরি জ্ঞান ও মেধাস্বত্ব প্রদান করা হলে, এই ভ্যাকসিন বিপুল পরিমাণে উৎপাদনের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। মহামারি নিরসনে আমাদের উদ্যোগ এবং এজেন্ডা-২০৩০ অর্জনে প্রচেষ্টা সমানতালে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

শনিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেয়া বক্তব্যের শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘের এই সভাকক্ষটি আমার জন্য অত্যন্ত আবেগের। ১৯৭৪ সালে এই কক্ষে দাঁড়িয়ে আমার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সদ্যস্বাধীন দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে মাতৃভাষা বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়েছিলেন। আমিও এই কক্ষে এর আগে ১৬ বার সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিশ্বশান্তি ও সৌহার্দ্যের ডাক দিয়েছি। সরকার প্রধান হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে এটি আমার ১৭তম বক্তৃতা।

তিনি বলেন, আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি স্বাস্থ্যকর্মীসহ সব পর্যায়ের জনসেবকদের যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিয়ে চলেছেন। সাধুবাদ জানাই জাতিসংঘ মহাসচিবকে এই দুর্যোগকালে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও বহুপাক্ষিক উদ্যোগের জন্য। বাংলাদেশ শুরু থেকেই যুদ্ধবিরতিসহ তার অন্যান্য উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যেমন জাতিসংঘ সৃষ্টির মাধ্যমে বিশ্বের সব দেশের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, তেমনি এই মহামারি আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সঠিক নেতৃত্ব প্রদানের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি শোষণ, বঞ্চনা ও নিপীড়নের অবসান ঘটিয়ে বাঙালি জাতিকে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন। তারই দেখানো পথে হেঁটে আমরা আজ বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল আসনে নিয়ে আসতে পেরেছি। এই মহান পরিষদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘জাতিসংঘ সনদে যে মহান আদর্শের কথা বলা হয়েছে তা আমাদের জনগণের আদর্শ এবং এই আদর্শের জন্য তারা চরম ত্যাগস্বীকার করেছেন। এমন এক বিশ্বব্যবস্থা গঠনে বাঙালি জাতি উৎসর্গকৃত, যে ব্যবস্থায় সব মানুষের শান্তি ও ন্যায়বিচার লাভের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে।’

তিনি বলেন, তার এই দৃপ্ত ঘোষণা ছিল মূলত বহুপাক্ষিকতাবাদেরই বহিঃপ্রকাশ। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে তার প্রদত্ত দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য বর্তমান সংকট মোকাবিলার জন্য আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বাঙালি জাতির জন্য এ বছরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছর আমরা আমাদের জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি। বঙ্গবন্ধুর জীবন, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং সাফল্য আমাদের কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যেমন সাহস জোগায়, তেমনি সংকটের উত্তরণ ঘটিয়ে নুতন দিনের আশার সঞ্চার করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে সব বঞ্চিত ও উন্নয়নকামী দেশ ও মানুষের পক্ষ হতে তাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি গভীর বেদনার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার আমার পিতা এবং বাঙালি জাতির পিতা, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমার মা, আমার তিন ভাই, দুই ভ্রাতৃবধূসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে। আমরা দুই বোন দেশের বাইরে থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিলাম। শরণার্থী হিসেবে আমাদের ছয় বছর দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে। আমি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করছি এ জন্য যে, পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম জঘন্য, নির্মম ও বেআইনি হত্যাকাণ্ড যেন আর না ঘটে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ প্রমাণ করেছে, আমাদের সবার ভাগ্য একইসূত্রে গাঁথা। আমরা কেউই সুরক্ষিত নই যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারছি। এই ভাইরাস আমাদের অনেকটাই ঘরবন্দি করে ফেলেছিল। ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বাংলাদেশে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮.২ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ আমাদের এই অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করেছে। বাংলাদেশে আমরা প্রথম থেকেই ‘জীবন ও জীবিকা’ দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন যাতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন না হয়, তার জন্য বিভিন্ন প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছি। আমরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমরা প্রতিবছর প্রায় তিন হাজার ৯০০ (৩৯ বিলিয়ন) টাকা বরাদ্দ করি। এছাড়া বয়স্কভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং সমাজের অনগ্রসর শ্রেণিসহ অন্যদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও ভাতার প্রচলন করেছি যার মাধ্যমে প্রায় ৯১ লাখ (৯.১ মিলিয়ন) পরিবার উপকৃত হচ্ছেন।

কোভিড-১৯ বিস্তারের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তার ব্যবস্থা নিয়েছি। এতে এক কোটিরও (১০ মিলিয়ন) বেশি পরিবার উপকৃত হয়েছেন। আমরা ৪০ লাখ (৪ মিলিয়ন) শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছি। করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, শ্রমিক ও দিনমজুরসহ ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মানুষকে নগদ অর্থসহায়তা দিয়েছি। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গ্রামপর্যায়ের প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র হতে বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ দেয়া হয়।

তিনি বলেন, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি আমি নিজে উদ্যোগী হয়ে তহবিল সংগ্রহ করে এতিম ও গরিব শিক্ষার্থী, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, স্কুলশিক্ষক, শিল্পী, সাংবাদিকসহ যারা সাধারণভাবে সরকারি সহায়তার আওতাভুক্ত নন, তাদের মধ্যে আড়াই হাজার কোটি (২.৫ বিলিয়ন) বেশি টাকা বিতরণ করি। ফলে সাধারণ মানুষকে করোনাভাইরাস খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের সাথে সাথে আমরা ৩১ দফা নির্দেশনা জারি করেছিলাম। করোনাভাইরাস যাতে ব্যাপকহারে সংক্রমিত হতে না পারে, তার জন্য আমরা সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছি। যার সুফল হিসেবে আমরা লক্ষ্য করছি, ঋতু পরিবর্তনের ফলে আমাদের দেশে যেসব রোগের প্রাদুর্ভাব হয়, এবার সেসব রোগ তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আর্থিক খাতের আশু সমস্যা চিহ্নিত করে আমরা ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করি। রফতানিমুখী শিল্প, শ্রমিকদের সুরক্ষা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল প্রদান, রফতানি বৃদ্ধিতে ঋণ প্রদান, কৃষি ও কৃষকদের সহায়তা, কর্মসৃজনের জন্য ঋণ প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুদ মওকুফ, পুনঃঅর্থায়ন স্কিম এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বীমা চালুকরণ খাত প্রণোদনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ পর্যন্ত আমরা মোট ১৩.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি, যা আমাদের মোট জিডিপির ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা করোনাকালে খাদ্য উৎপাদনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। সেই সঙ্গে পুষ্টিনিশ্চয়তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের শিল্পকারখানা সচল রাখা এবং কৃষি ও শিল্পপণ্য যথাযথভাবে বাজারজাতকরণের বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। যার ফলে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি এখনও তুলনামূলকভাবে অনেক ভালো। কোভিড-১৯-এর কারণে বিশ্বব্যাপী উৎপাদনে স্থবিরতা সত্ত্বেও আমাদের ৫.২৪ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আগামী অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আমরা আশাবাদী।

jagonews24

শেখ হাসিনা বলেন, আশা করা হচ্ছে বিশ্ব শিগগিরই কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন পাবে। এই ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সকল দেশ যাতে এই ভ্যাকসিন সময়মতো এবং একইসঙ্গে পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। কারিগরি জ্ঞান ও মেধাস্বত্ব প্রদান করা হলে, এই ভ্যাকসিন বিপুল পরিমাণে উৎপাদনের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। মহামারি নিরসনে আমাদের উদ্যোগ এবং এজেন্ডা-২০৩০ অর্জনে আমাদের প্রচেষ্টা সমানতালে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আমরা ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং ২১০০ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ বদ্বীপে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছি। প্রযুক্তিগত বিভাজন নিরসন, সম্পদ আহরণ ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য আমাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত হতে উন্নয়নশীল এবং সদ্য উত্তরিত উন্নয়নশীল দেশসমূহের জন্য এই আপদকালীন, উত্তরণকাল ও উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বর্ধিত আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং প্রণোদনা প্যাকেজ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা স্বাগতিক ও নিজ দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রেখে চলেছেন। এই মহামারির কারণে অনেক শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। অনেককে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা দেশে ফিরে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের প্রণোদনা বাবদ ৩৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছি। তবে কোভিড-পরবর্তী সময়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি অভিবাসী শ্রমিকদের বিষয়টি সহমর্মিতার সঙ্গে ও ন্যায়সঙ্গতভাবে বিবেচনা করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অভিবাসী গ্রহণকারী দেশসমূহের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর বিদ্যমান সমস্যাসমূহ প্রতিনিয়ত প্রকট হচ্ছে। এই সংকটকালেও আমাদের বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে হচ্ছে। বাংলাদেশে আমরা লিঙ্গবৈষম্য সামগ্রিকভাবে ৭২ দশমিক ৬ শতাংশ কমিয়ে এনেছি। আমাদের জাতীয় উন্নয়নের মূলে রয়েছে নারীদের অবদান। মহামারি মোকাবিলাসহ সকল কার্যক্রমে বাংলাদেশের নারীরা সামনে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আমরা শিশুদের উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। ইউনিসেফের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের বর্তমান সভাপতি হিসেবে আমরা শিশুর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া কোভিড সংক্রান্ত সমস্যা যাতে শিশুদের সামগ্রিক সমস্যায় পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়’, এই নীতিবাক্য আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। এ মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং শান্তির সংস্কৃতি বিনির্মাণে নিয়মিত অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, মহামারিকালে অসহিষ্ণুতা, ঘৃণা, বিদ্বেষ ও উগ্র জাতীয়তাবাদের মতো বিষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা এ বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে পারি। শান্তিরক্ষী প্রেরণে বাংলাদেশের অবস্থান এখন শীর্ষে। সংঘাতপ্রবণ দেশসমূহে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তি বজায় রাখতে আমাদের শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অন্যতম দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শান্তির প্রতি অবিচল থেকে আমরা সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। মহামারির ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও অপরিহার্য। পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত পৃথিবী বিনির্মাণে বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমাদের সমর্থন অবিচল। সে বিবেচনা থেকে পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়ে উন্নয়নশীল দেশসমূহের কার্যক্রমকে আমরা জোর সমর্থন জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামে বাঙালি জাতি অবর্ণনীয় দুর্দশা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়েছে। সেই কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছি। বাংলাদেশ ১১ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে আশ্রয় প্রদান করেছে। তিন বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি। এই সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি এবং এর সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে। আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে আরও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জসমূহ আরও প্রকট হয়েছে। এ মহামারি আমাদের উপলদ্ধি করতে বাধ্য করেছে যে, এ সংকট উত্তরণে বহুপাক্ষিকতাবাদের বিকল্প নেই। জাতিসংঘের ৭৫তম বছর পূর্তিতে জাতিসংঘ সনদে অন্তর্নিহিত বহুপাক্ষিকতাবাদের প্রতি আমাদের অগাধ আস্থা রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে বহু প্রতিকূলতার মধ্যেও বহুপাক্ষিকতাবাদের আদর্শ সমুন্নত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, পাশাপাশি আমরা আমাদের জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছি। দারিদ্র্য ও শোষণমুক্ত সে সোনার বাংলাদেশ হবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত- যেখানে সবার মানবাধিকার নিশ্চিত হবে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে জাতি ও বিশ্বের নিকট এটিই আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।

এইউএ/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩৫,২৯,০১,৩৯২
আক্রান্ত

৫৬,১৭,০১৭
মৃত

২৮,০৭,০৮,৬০৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৬,৯৯,৯৬৪ ২৮,২৩৮ ১৫,৫৭,৮৫৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭,১৯,২৫,৯৩১ ৮,৮৯,১৯৭ ৪,৪৩,৬৫,৬৬৯
ভারত ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ ৪,৮৯,৮৯৬ ৩,৬৮,০৪,১৪৫
ব্রাজিল ২,৪০,৪৪,৪৩৭ ৬,২৩,১৪৫ ২,১৮,৫১,৯২২
ফ্রান্স ১,৬৬,৯২,৪৩২ ১,২৮,৬২৯ ১,০৪,৬০,৮৭৬
যুক্তরাজ্য ১,৫৯,৫৩,৬৮৫ ১,৫৩,৯১৬ ১,২৪,০৪,৯৬৮
রাশিয়া ১,১১,৭৩,৩০০ ৩,২৬,৭৬৭ ১,০০,৪৫,৩৩৬
তুরস্ক ১,০৯,৪৭,১২৯ ৮৫,৯৬৯ ১,০২,৩৮,১৩৬
ইতালি ১,০০,০১,৩৪৪ ১,৪৩,৮৭৫ ৭১,৪৭,৬১২
১০ স্পেন ৮৯,৭৫,৪৫৮ ৯১,৭৪১ ৫৪,৪৩,৬৩২
১১ জার্মানি ৮৭,৫৫,৮৮১ ১,১৭,৩৮৩ ৭২,৭৩,১০০
১২ আর্জেন্টিনা ৭৮,৬২,৫৩৬ ১,১৯,১৬৮ ৬৮,৬৩,১০২
১৩ ইরান ৬২,৫৮,১৮১ ১,৩২,২৫১ ৬০,৮২,৭৫৯
১৪ কলম্বিয়া ৫৭,৪০,১৭৯ ১,৩২,২৪০ ৫৪,৪১,০২১
১৫ মেক্সিকো ৪৬,৬৭,৮২৯ ৩,০৩,১৮৩ ৩৭,০৪,৪৪৮
১৬ পোল্যান্ড ৪৫,৪৭,৩১৫ ১,০৩,৮৪৬ ৩৮,৬১,৯০৮
১৭ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৮৯,৩০৫ ১,৪৪,২২৭ ৪১,২৪,২১১
১৮ নেদারল্যান্ডস ৩৯,৫৪,২৯৯ ২১,২১৯ ৩০,৩১,৯১৩
১৯ ইউক্রেন ৩৮,৭০,৩৭০ ৯৯,২৮২ ৩৫,৮৫,৩৩৮
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫,৮১,৩৫৯ ৯৪,১১৭ ৩৪,১১,৫৫৫
২১ ফিলিপাইন ৩৪,৪২,০৫৬ ৫৩,৫১৯ ৩১,২৫,৫৪০
২২ পেরু ২৯,৪৬,১৫১ ২,০৪,৩২৩ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ কানাডা ২৯,২১,৩৬৯ ৩২,৫৯৭ ২৫,৯৩,৫১১
২৪ মালয়েশিয়া ২৮,৩২,৯৪৫ ৩১,৮৯২ ২৭,৫৫,৯৩৩
২৫ চেক প্রজাতন্ত্র ২৭,৬৩,৮০০ ৩৭,০৫০ ২৫,১৩,০৪৯
২৬ বেলজিয়াম ২৬,৯৭,২৩৯ ২৮,৭৮০ ২০,০২,০৯৮
২৭ থাইল্যান্ড ২৩,৮৪,৬৩৯ ২২,০৪৮ ২২,৮০,১০৯
২৮ পর্তুগাল ২২,৫৪,৫৮৩ ১৯,৬১৩ ১৭,২৫,৩৪২
২৯ অস্ট্রেলিয়া ২২,৩৯,৩১০ ৩,১৬১ ১১,৬২,৬১৯
৩০ ইসরায়েল ২২,১২,৫৯৬ ৮,৩৯৩ ১৭,৬১,৯৭৪
৩১ জাপান ২১,৬৯,৬৫৩ ১৮,৫০৬ ১৮,১৪,০৮৮
৩২ ইরাক ২১,৫৯,৯৯৩ ২৪,৩০০ ২০,৮১,১৭৮
৩৩ ভিয়েতনাম ২১,৫৫,৭৮৪ ৩৬,৮৮৪ ১৮,৪১,১৮০
৩৪ রোমানিয়া ২০,২৯,২১১ ৫৯,৫৮৮ ১৮,২০,৭৪৩
৩৫ চিলি ১৯,৮৪,১৯০ ৩৯,৫৩৫ ১৭,৫৯,৬১৩
৩৬ সুইজারল্যান্ড ১৮,৭১,৩৪০ ১২,৬৭৫ ১২,২৪,৮৩৭
৩৭ গ্রীস ১৮,১২,৩৮৪ ২২,৭৪৮ ১৫,৬৯,৮২৫
৩৮ সুইডেন ১৭,৮৪,০০৫ ১৫,৬৩৯ ১২,৬৮,৬৬৬
৩৯ অস্ট্রিয়া ১৬,২৫,৬৫১ ১৪,০০০ ১৩,৯২,৫৩৩
৪০ সার্বিয়া ১৫,৫৯,৯৪৬ ১৩,৩০৬ ১৩,১৪,১৮৪
৪১ হাঙ্গেরি ১৪,৪১,৩৮৫ ৪০,৯৪৪ ১২,০৯,১২৯
৪২ ডেনমার্ক ১৩,৮১,৫১১ ৩,৬২১ ৯,৫২,৭৩৫
৪৩ পাকিস্তান ১৩,৭৪,৮০০ ২৯,১০৫ ১২,৬৯,০৭৮
৪৪ কাজাখস্তান ১১,৫৭,৬৮১ ১৩,১৪২ ৯,৯৩,৯৪০
৪৫ আয়ারল্যান্ড ১১,৪৫,৯৬৮ ৬,০৮৭ ৬,৯৯,২৩৫
৪৬ জর্ডান ১১,৪১,০৪৮ ১৩,০৭৩ ১০,৮২,২০৭
৪৭ মরক্কো ১০,৯৮,৪১৩ ১৫,১৩২ ১০,১৫,২৪৯
৪৮ জর্জিয়া ১০,৫৯,৩৯২ ১৪,৭৩২ ৯,৬৭,৫৮৫
৪৯ কিউবা ১০,২২,১১২ ৮,৩৬৩ ৯,৯৭,১৫৯
৫০ স্লোভাকিয়া ৯,২১,৪২২ ১৭,৬৭৫ ৮,৪৬,১৭৪
৫১ নেপাল ৯,১৮,৪৪৮ ১১,৬৫৯ ৮,২৪,২৩৯
৫২ বুলগেরিয়া ৮,৮০,২২৮ ৩২,৬৬৪ ৬,৪৫,১৪৩
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ৮,৭৮,৮৯১ ১৩,৪৫১ ৮,০৮,৩৬৭
৫৪ লেবানন ৮,৬৫,২২৯ ৯,৪৮৭ ৬,৮২,৯৭৭
৫৫ তিউনিশিয়া ৮,৫৩,৯০৫ ২৫,৯৮৮ ৭,২০,০১০
৫৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮,২৮,৩২৮ ২,২১৯ ৭,৬৯,৪৫৮
৫৭ বলিভিয়া ৮,১৩,৬০৯ ২০,৬৩০ ৬,৪৭,৭৬৭
৫৮ দক্ষিণ কোরিয়া ৭,৪১,৪১৩ ৬,৫৬৫ ৬,০২,১২৩
৫৯ বেলারুশ ৭,২৮,৮০৪ ৫,৯৪৯ ৭,২১,২২১
৬০ গুয়াতেমালা ৬,৬৯,৮৩০ ১৬,২৬৮ ৬,১৯,৬০৪
৬১ ইকুয়েডর ৬,৬৪,৬৬৪ ৩৪,২৮৭ ৪,৪৩,৮৮০
৬২ সৌদি আরব ৬,৫৭,১৯২ ৮,৯২২ ৬,০৬,১৩০
৬৩ পানামা ৬,৪৪,৬৮৩ ৭,৫৯৮ ৫,৫৩,৭৪২
৬৪ কোস্টারিকা ৬,৪৩,৪৯৬ ৭,৪৫১ ৫,৭০,৪৮১
৬৫ আজারবাইজান ৬,৩৩,৭৩১ ৮,৬১০ ৬,১২,২৯২
৬৬ নরওয়ে ৬,২২,৫৯৬ ১,৪১৪ ৮৮,৯৫২
৬৭ লিথুনিয়া ৬,১২,৫০০ ৭,৭৬২ ৫,৩৯,৫২৫
৬৮ স্লোভেনিয়া ৬,১২,০১৭ ৫,৭৮৭ ৪,৮৭,৫৬৯
৬৯ শ্রীলংকা ৬,০১,৮৮৬ ১৫,২৯৯ ৫,৭৬,১১৪
৭০ উরুগুয়ে ৫,৮৮,৯৯৫ ৬,৩০৮ ৫,০৮,৮৯৮
৭১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৫,৩৯,৫৮০ ৪,২৮৭ ৫,০৭,৭০২
৭২ প্যারাগুয়ে ৫,৩৬,৯৭৭ ১৬,৯৭০ ৪,৬৬,৪৭৪
৭৩ মায়ানমার ৫,৩৪,০৭১ ১৯,৩১০ ৫,১২,২০১
৭৪ কুয়েত ৪,৯৭,৪৫৪ ২,৪৮৬ ৪,৫০,৪৬২
৭৫ ভেনেজুয়েলা ৪,৬৯,৫৬৬ ৫,৪০৫ ৪,৪৭,১৭১
৭৬ ইথিওপিয়া ৪,৬২,১০৭ ৭,২৪৪ ৩,৮৬,১৫২
৭৭ ফিলিস্তিন ৪,৫৭,৬৫৪ ৪,৭৯২ ৪,৩৮,৫৩৭
৭৮ ফিনল্যাণ্ড ৪,৪৯,৩৪৬ ১,৮১৫ ৪৬,০০০
৭৯ মঙ্গোলিয়া ৪,২৮,৩৫০ ২,০৯৪ ৩,১৩,২৫৬
৮০ মিসর ৪,১০,০৯৮ ২২,৩৬৮ ৩,৪৩,৯৭১
৮১ মলদোভা ৪,০৯,৩৯৭ ১০,৫২২ ৩,৭০,৯৯৩
৮২ লিবিয়া ৪,০৭,৭৫৮ ৫,৯৩৬ ৩,৮৮,৫৮৮
৮৩ হন্ডুরাস ৩,৮৮,৪৩৬ ১০,৪৮২ ১,২৭,০২৯
৮৪ আর্মেনিয়া ৩,৫২,৩৯৯ ৮,০২৮ ৩,৩৪,৩৯৪
৮৫ লাটভিয়া ৩,৩৯,৪৯৪ ৪,৭৯৯ ২,৮৪,০৫৪
৮৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩,৩৪,১৪১ ১৪,০৮৫ ১৫,৮১,১৬৪
৮৭ বাহরাইন ৩,৩০,৬২১ ১,৩৯৯ ৩,০২,২৩২
৮৮ ওমান ৩,২৪,০৮৫ ৪,১২৯ ৩,০৬,৪০৪
৮৯ কাতার ৩,২৩,৩৪৫ ৬৩৪ ২,৮৫,০৮১
৯০ কেনিয়া ৩,২০,৩৯৯ ৫,৫৫৮ ২,৯১,৯১৭
৯১ সিঙ্গাপুর ৩,১৩,৭৭২ ৮৪৮ ২,৯৯,৪৪৮
৯২ জাম্বিয়া ৩,০১,৯২৪ ৩,৯০০ ২,৯২,৫৮৫
৯৩ এস্তোনিয়া ২,৯৬,৪৬৬ ২,০০৮ ২,৪৪,৯৩৯
৯৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,৫৬,২৮১ ৮,২১৮ ২,২৭,৪৯২
৯৫ নাইজেরিয়া ২,৫২,১৮৭ ৩,১২৪ ২,২৬,৪০৮
৯৬ আলবেনিয়া ২,৪৮,০৭০ ৩,৩০৫ ২,২০,৬৮৪
৯৭ বতসোয়ানা ২,৪৩,৯৪৬ ২,৫৪৪ ২,৩৫,০৩০
৯৮ সাইপ্রাস ২,৩৯,০৭৩ ৭১২ ১,২৪,৩৭০
৯৯ আলজেরিয়া ২,৩৬,৬৭০ ৬,৪৯৫ ১,৫৯,৬৩৬
১০০ জিম্বাবুয়ে ২,২৮,২৫৪ ৫,২৯৪ ২,১৩,২৯৯
১০১ মোজাম্বিক ২,২২,৫৯৬ ২,১৫৭ ২,০২,১৬০
১০২ উজবেকিস্তান ২,১৫,০৬৩ ১,৫৪২ ২,০৪,২১৭
১০৩ মন্টিনিগ্রো ২,১৩,৮৯৬ ২,৫২৪ ২,০২,১১৬
১০৪ কিরগিজস্তান ১,৯৫,৮২০ ২,৮৫১ ১,৮৩,৫১৭
১০৫ উগান্ডা ১,৬০,৫৭২ ৩,৪৮৩ ৯৯,০৯৫
১০৬ আফগানিস্তান ১,৫৯,৮৯৬ ৭,৩৯৩ ১,৪৬,৩০৪
১০৭ ঘানা ১,৫৫,৬৬৫ ১,৩৭০ ১,৫১,০৬৮
১০৮ নামিবিয়া ১,৫৫,২৫৫ ৩,৯১৪ ১,৪৪,৭৪২
১০৯ লুক্সেমবার্গ ১,৩৭,৫৭০ ৯৪৩ ১,০৯,৩৮১
১১০ রিইউনিয়ন ১,৩৩,৬১৭ ৪৬২ ৮৬,৬৬৯
১১১ লাওস ১,৩০,২৯৩ ৫২৭ ৭,৬৬০
১১২ রুয়ান্ডা ১,২৮,০০৯ ১,৪৩২ ৪৫,৫২২
১১৩ এল সালভাদর ১,২৭,০১২ ৩,৮৫৭ ১,১৭,৭৫৩
১১৪ কম্বোডিয়া ১,২১,০৬৬ ৩,০১৫ ১,১৭,২৩২
১১৫ জ্যামাইকা ১,১৯,৫৬৫ ২,৫৯৪ ৬৮,২৭৪
১১৬ মালদ্বীপ ১,১৭,৪৬১ ২৭০ ১,০২,৫৪২
১১৭ ক্যামেরুন ১,১৪,১১৩ ১,৮৬৭ ১,০৬,০৫০
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১,০৬,৪১৭ ৩,৩০২ ৮৪,২৯২
১১৯ চীন ১,০৫,৬৬০ ৪,৬৩৬ ৯৮,২৭০
১২০ অ্যাঙ্গোলা ৯৬,৫৮২ ১,৮৮৮ ৮৭,২২২
১২১ গুয়াদেলৌপ ৯৪,৭৬৫ ৭৬২ ২,২৫০
১২২ সেনেগাল ৮৪,৩৭৪ ১,৯২৯ ৭৮,০৫৪
১২৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮৪,২৮৩ ১,২৭৮ ৫০,৯৩০
১২৪ মালাউই ৮৩,৮২৩ ২,৫২৩ ৬৭,৭৫৬
১২৫ আইভরি কোস্ট ৮০,১৭৬ ৭৭৯ ৭৬,৮৩১
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৭২,৮১৯ ৩৫৯ ১১,২৫৪
১২৭ মার্টিনিক ৭১,১৯৩ ৮১৩ ১০৪
১২৮ সুরিনাম ৭০,০৭৪ ১,২৩৯ ৪৯,২১১
১২৯ ইসওয়াতিনি ৬৮,০৮১ ১,৩৬৯ ৬৬,৩৯৭
১৩০ মালটা ৬৬,০৭১ ৫৩৪ ৬০,৪১৭
১৩১ ফিজি ৬১,৮৯৮ ৭৭৯ ৫৭,৮৫৬
১৩২ আইসল্যান্ড ৫৮,৪০৯ ৪৪ ৪৭,২৫৬
১৩৩ মৌরিতানিয়া ৫৭,৩৮৪ ৯২৭ ৪৮,৭৮৮
১৩৪ মাদাগাস্কার ৫৭,৩৭৫ ১,২২৩ ৫২,০১২
১৩৫ গায়ানা ৫৭,২২৭ ১,১৩৪ ৪২,৩১৯
১৩৬ কেপ ভার্দে ৫৫,৩০৬ ৩৮৯ ৫৩,৪৪৮
১৩৭ সুদান ৫৩,৯৫৯ ৩,৩৯৩ ৪০,৩২৯
১৩৮ সিরিয়া ৫০,৯৮৫ ২,৯৬৮ ৩৬,২০৩
১৩৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৭,৪৭০ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৪০ গ্যাবন ৪৫,৯০৯ ৩০০ ৪০,৭০৪
১৪১ বেলিজ ৪৫,৭৫৩ ৬১৬ ৩৫,৬৭৪
১৪২ বার্বাডোস ৩৯,২১২ ২৭৫ ৩১,৭৪২
১৪৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩৮,২৩২ ১২৬ ৩৫,০৫১
১৪৪ বুরুন্ডি ৩৬,৮৬৮ ৩৮ ৭৭৩
১৪৫ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৬,৪৮০ ৫৯৭ ৩৫,৮১১
১৪৬ টোগো ৩৬,৩১৩ ২৬৬ ৩০,৭৬৫
১৪৭ কিউরাসাও ৩৬,০১৩ ২১৬ ২৯,০৫৩
১৪৮ গিনি ৩৫,৯০৮ ৪১৬ ৩১,৭৭৩
১৪৯ মায়োত্তে ৩৫,৬৯১ ১৮৭ ২,৯৬৪
১৫০ সিসিলি ৩৪,৩৬৭ ১৪৩ ২৮,৯৬৪
১৫১ এনডোরা ৩৩,০২৫ ১৪৪ ২৭,৮৭২
১৫২ তানজানিয়া ৩২,৩৯৩ ৭৫৩ ১৮৩
১৫৩ আরুবা ৩২,৩২২ ১৯১ ৩১,৩৯৯
১৫৪ বাহামা ৩২,০৬৮ ৭২৯ ২৩,৬৬৩
১৫৫ লেসোথো ৩২,০৪৯ ৬৯০ ২০,৯৯০
১৫৬ মালি ২৯,৬৭৭ ৭০৫ ২৫,৩৮৮
১৫৭ হাইতি ২৮,৪৭১ ৭৮৩ ২৪,২৯১
১৫৮ বেনিন ২৬,৩০৯ ১৬৩ ২৫,৫০৬
১৫৯ মরিশাস ২৫,১৫৯ ৭৬২ ২৪,২৩৫
১৬০ সোমালিয়া ২৪,৩২২ ১,৩৩৫ ১৩,১৮২
১৬১ কঙ্গো ২৩,৪৮৫ ৩৭১ ১৯,২৯৮
১৬২ বুর্কিনা ফাঁসো ২০,৫১৪ ৩৫৩ ১৯,৬৯০
১৬৩ পূর্ব তিমুর ১৯,৮৬৯ ১২২ ১৯,৭৩৯
১৬৪ সেন্ট লুসিয়া ১৯,৬৮০ ৩১৬ ১৫,১২৪
১৬৫ তাইওয়ান ১৮,৩৭৬ ৮৫১ ১৬,২৭৮
১৬৬ নিকারাগুয়া ১৭,৬০৪ ২১৫ ৪,২২৫
১৬৭ তাজিকিস্তান ১৭,১৮০ ১২৪ ১৬,৯৭১
১৬৮ দক্ষিণ সুদান ১৬,৬৭৩ ১৩৭ ১২,৯৩৪
১৬৯ ব্রুনাই ১৬,১৪৮ ৯৮ ১৫,৬৮২
১৭০ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৬,০০০ ২৮২ ১৩,১৯৮
১৭১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫,৬৯০ ১৭৯ ১৪,৫০৪
১৭২ নিউজিল্যান্ড ১৫,৬২৫ ৫২ ১৪,৪৪০
১৭৩ জিবুতি ১৫,৩১১ ১৮৯ ১৪,৮০৭
১৭৪ ফারে আইল্যান্ড ১৪,৩৪০ ১৭ ৭,৬৯৩
১৭৫ আইল অফ ম্যান ১৪,১২৬ ৭০ ১৩,৭৫৫
১৭৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১৩,৬১১ ১০৯ ৬,৮৫৯
১৭৭ হংকং ১৩,২৮৬ ২১৩ ১২,৫৭২
১৭৮ জিব্রাল্টার ১১,৯৩৭ ১০০ ১০,৩০৯
১৭৯ কেম্যান আইল্যান্ড ১১,৬৬৬ ১৫ ৮,০৯৩
১৮০ গাম্বিয়া ১১,৫৭২ ৩৪৭ ১০,১৫৬
১৮১ সান ম্যারিনো ১১,৪৬৬ ১০৭ ৯,৬৭৫
১৮২ গ্রেনাডা ১১,৩৪৪ ২০৫ ৯,০২৫
১৮৩ ইয়েমেন ১০,৪৮৫ ১,৯৯৫ ৭,০৫১
১৮৪ বারমুডা ৯,৭৬৬ ১১২ ৭,৭৬৮
১৮৫ গ্রীনল্যাণ্ড ৯,৪৮৫ ২,৭৬১
১৮৬ ইরিত্রিয়া ৯,২৯৭ ৯৩ ৮,৭১২
১৮৭ সেন্ট মার্টিন ৯,১৪৩ ৬০ ১,৩৯৯
১৮৮ সিন্ট মার্টেন ৯,০৭৬ ৭৮ ৭,৫৮৯
১৮৯ নাইজার ৮,৫৪৪ ২৯৬ ৭,৬৭৯
১৯০ ডোমিনিকা ৮,৫১৭ ৪৯ ৭,৭৩৩
১৯১ লিচেনস্টেইন ৮,০১৩ ৭৩ ৭,৬১২
১৯২ কমোরস ৭,৮১২ ১৫৯ ৭,৫৬৬
১৯৩ সিয়েরা লিওন ৭,৫৯০ ১২৫ ৪,৩৯৩
১৯৪ মোনাকো ৭,৫৮৩ ৪৪ ৬,৯৫২
১৯৫ গিনি বিসাউ ৭,২১১ ১৫৪ ৬,৪০৬
১৯৬ লাইবেরিয়া ৭,২০৮ ২৮৮ ৫,৭৪৭
১৯৭ চাদ ৬,৮৮৭ ১৮৫ ৪,৮৭৪
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬,৬১৫ ৯০ ৫,৬৫২
১৯৯ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৬,৪১৯ ২৭ ৬,৪৪৫
২০০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৫,৯৩১ ১২২ ৫,০৪৫
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫,৬০২ ৪৭ ২,৬৪৯
২০২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৫,৫৭০ ৩৪ ৫,২৪৩
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫,২৭০ ৩১ ৪,৬২০
২০৪ ভুটান ৩,৮১১ ২,৬৫৪
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩,২৮২ ৪৬২
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ২,১৮৭ ১,৯৯৭
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৬৯৬ ৪৭২
২০৯ পালাও ৬৫১ ৫৬
২১০ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২১১ সলোমান আইল্যান্ড ২৮৯ ২০
২১২ মন্টসেরাট ১৫৫ ১৩২
২১৩ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৮৫ ৬৮
২১৪ ম্যাকাও ৭৯ ৭৯
২১৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৯ ২৭
২১৬ সামোয়া ২০
২১৭ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৮ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ ভানুয়াতু
২২১ সেন্ট হেলেনা
২২২ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]