ক্রিকেটের প্রতি ছিল তার বেশ দুর্বলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪২ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২০
ফাইল ছবি

ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের খেলা দেখার প্রতি ছিল বেশ দুর্বলতা, বিশেষ করে ক্রিকেট খেলা। বেশির ভাগ খেলাই তিনি টেলিভিশনে দেখতেন। অবসরে বই পড়ে সময় কাটাতেন।

২০১১ সালে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের চিকিৎসক স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাদের একমাত্র ছেলে ব্যারিস্টার ফাহিমুল হক। তিনিও আইন পেশায় জড়িত। ২০১১ সালে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বেশ একাকিত্ব বোধ করতে থাকেন। প্রতিটি মুহূর্ত চরম যাতনা তার ওপর ভর করতে থাকে।

সেসময় পুত্রবধূ আর একমাত্র নাতনির সহচর্য মানসিক যাতনা দূরে ঠেলে দিয়েছিল। রফিক-উল হক নিজেও ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। স্টমাক ক্যানসার হয়েছিল তার। ১৯৮৬ সালে অপারেশন করে স্টমাকটি অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে তার বাঁ পাঁজরের তিনটি হাড়ও অপসারণ করতে হয়েছিল। তারপরও তার মধ্যে উচ্ছলতার কোনো কমতি ছিল না।

অবসরে বই পড়া আর ক্রিকেট খেলা দেখার প্রতি ছিল তার বেশ দুর্বলতা। বেশির ভাগ খেলাই তিনি টেলিভিশনে দেখতেন। আর বাড়ির অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে সময় কাটাতেন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন আইনের বাতিঘর খ্যাত এই আইনজীবী। বেঁচে থাকলে আগামী বছর ২৮ ফেব্রুয়ারিতে আইন পেশায় ৬২ বছরে পা রাখতেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।

শুধু বাংলাদেশেরই নয়, ভারত, পাকিস্তান ও ব্রিটেনের নাগরিক হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার ঝুড়িতে। আইনের এই বাতিঘরের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে। বাবা মুমিন-উল হক পেশায় ছিলেন চিকিৎসক। আর মা নূরজাহান বেগম। তবে তার বাল্যকাল কেটেছে কলকাতার চেতলায়। পরিবারের সবাই চেতলাতেই থাকতেন। পড়াশোনা করেছেন চেতলা স্কুলে। চেতলা এখন কলকাতার অন্তর্ভুক্ত। চেতলা স্কুলে রফিক-উল হকের পরিবারের সবাই পড়াশোনা করেছেন।

এফএইচ/এমএআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]