জিরাফের ঘরে নতুন অতিথি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৩ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দুটি জিরাফ শাবকের জন্ম হয়েছে। গত সপ্তাহে শাবক দুটির জন্ম হয়। জন্মের পর এখনও মায়ের তত্ত্বাবধানেই আছে তারা।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়ালিউর রহমান জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত সপ্তাহে শাবক দুটির জন্ম হয়েছে। মায়ের তত্ত্বাবধানে থাকায় তাদের কাছে যাওয়া যায়নি। তারা ভালো আছে।

এর আগে আগস্ট মাসে দুটি বাঘ শাবকের জন্ম হয়। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম তাদের নাম রাখেন দুর্জয় ও অবান্তিকা।

করোনার সংক্রমণ বাড়লে চলতি বছরের ২ এপ্রিল থেকে জাতীয় চিড়িয়াখানা বন্ধ রাখা হয়। ৫ মাস পরে গত ২৭ আগস্ট দর্শনার্থীদের জন্য খুলে যায় চিড়িয়াখানার দরজা। এর আগে ২০২০ সালে আট মাস বন্ধ থাকার পর ১ নভেম্বর খুলে দেওয়া হয়েছিল চিড়িয়াখানা।

চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকায় নিরিবিলি পরিবেশে ও ব্যালেন্স ডায়েটে প্রাণীদের প্রজনন বেড়েছে বলে জানান চিড়িয়াখানার পরিচালক আব্দুল লতিফ।

তিনি বলেন, বন্ধের মধ্যে ৩৫০টির মতো প্রাণীর জন্ম হয়েছে। পাখির মধ্যে ময়ূর ১৩০টির বেশি, ইমু ২৩টি, বক ৮০টির বেশি (কানি, নিশি, পানকৌড়ি ও ফ্লেমিঙ্গো বক) বাচ্চা দিয়েছে। এসব পাখির মধ্যে কিছু বক প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

চিত্রা হরিণের ৭০টি, জলহস্তীর একটি, দক্ষিণ আফ্রিকান ইম্পালা দুটি, গাধা তিনটি, জেব্রা দুটি, কমন ইলেন একটি এবং আফ্রিকান হর্সের তিনটি বাচ্চার জন্ম হয়েছে।

এদিকে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীর সংখ্যা কম ছিল। মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবশ করতে না দেওয়া হলেও, কারও হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিতে দেখা যায়নি। দূরদূরান্ত থেকে অনেকেই ছুটে এসেছেন চিড়িয়াখানায়।

আদনান নামের এক দর্শনার্থী জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘদিন পরে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এলাম। ভাতিজা আবদার করেছিল, তাই নোয়াখালী থেকে এসেছি। চিড়িয়াখানার সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগের মত হকার নেই। পরিস্কার পরিচ্ছন্নও হয়েছে বেশ ভালো।

এসএম/ইউএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]