‘সার্কের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ক্ষুধা ও দারিদ্র্য’


প্রকাশিত: ০৬:৪৮ এএম, ২৬ নভেম্বর ২০১৪

দক্ষিণ এশিয়ার আট জাতির আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ককে আরও কার্যকর করার দাবি জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘সার্ককে জনগণের সার্কে পরিণত করতে হবে। সার্ককে এ অঞ্চলের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করা উচিত। এ জন্য সার্ককে কার্যকর করতে হবে।’

বুধবার বাংলাদেশ সময় পৌনে ১১টার দিকে নেপালের সয়েলটির রাষ্ট্রীয় অতিথি গৃহে ভাষণকালে এ সব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এজন্য সড়ক, আকাশ ও রেলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার।’

এ সময় শেখ হাসিনা সার্কভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য প্রস্তাবিত চুক্তিগুলো বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ অঞ্চলের প্রধান শত্রু দারিদ্র্য। বাংলাদেশ দারিদ্র্য দূর করার জন্য ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ গ্রহণ করেছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্বারোপ করেছে। ইতোমধ্যে এইচএসসি পর্যন্ত নারীরা বিনামূল্যে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারছে। জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা গেছে।’

তিনি বলেন,‘ এখন তথ্য প্রযুক্তি ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশে আগে মাত্র ২.৭ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করত। গত ৫ বছরে তা ২৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। তরুণদের তথ্য-প্রযুক্তিতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।’

এ রকম মডেল সার্কভুক্ত দেশগুলোকে গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতের উপরও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বিদ্যুতের সহজলভ্যতা ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য বিদ্যুৎ রফতানি ও হিমালয়ের পাদদেশে হাইড্রো বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী এ অঞ্চলের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য সহজে যাতে সার্কভুক্ত দেশের জনগণ এক দেশে থেকে অন্য দেশে যেতে পারেন সেদিকে উপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।