কোথাও গাড়ির চাপ, কোথাও ফাঁকা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১৪ পিএম, ২৩ জুন ২০২২
ছবি- বিপ্লব দিক্ষিৎ ও মাহবুব আলম

প্রতিদিনই রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট। যানজটই যেন নিত্যসঙ্গী! যানবাহনের যে দীর্ঘ লাইন, তা যেন জীবনেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। যানজটবিহীন ঢাকা শহর এখন কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়। প্রতিদিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে ভরপুর রাস্তাঘাট। কোথাও কোথাও গাড়ির চাপ কম থাকায় যানজটমুক্ত চলাচল করতে পারছেন নগরবাসীরা।

রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, কাকরাইল, মতিঝিল, কমলাপুর, খিলগাঁও, মানিকনগর, ধানমন্ডি, শাহবাগ, শ্যামলী, মিরপুর, আগারগাঁও, ফার্মগেট, তেজগাঁও, বাড্ডা অঞ্চল ঘুরে এমন দৃশ্য দেখে গেছে।

বাড্ডা-রামপুরা অঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত ও যাত্রীবাহী গাড়ির চাপে রামপুরা ও বাড্ডা রুটে যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে। মধ্য বাড্ডা থেকে শুরু হয়ে যানজট গিয়ে ঠেকেছে মালিবাগ আবুল হোটেল পর্যন্ত। এর মধ্যে রামপুরা কাঁচা বাজার ও আবুল হোটেল মোড়ে যানজট বেশি দেখা গেছে।

আবুল হোটেল পার হওয়ার পর মালিবাগ রেলগেট থেকে বৌদ্ধ মন্দির পর্যন্ত গাড়ির তেমন চাপ দেখা যায়নি। ফলে এ রাস্তায় চলাচলকারীরা যানজটমুক্ত চলাচল করতে পারছেন। তবে বৌদ্ধ মন্দির পার হওয়ার পর মুগদা থেকে মানিকনগর পর্যন্ত যানজট ঠেলে যেতে হচ্ছে।

jagonews24

একইভাবে মালিবাগ রেলগেট থেকে মৌচাক পর্যন্ত রাস্তা ফাঁকা দেখা গেছে। তবে মৌচাক মোড় থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত বেশ যানজটে পড়তে হচ্ছে এই অঞ্চলে পথচারীদের। কাকরাইল পার হয়ে বিজয়নগর, পল্টনমোড় থেকে সদরঘাট পর্যন্ত যানজট দেখা গেছে।

আরামবাগ, মতিঝিল, টিকাটুলি হয়ে সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ি যাওয়ার ক্ষেত্রে তেমন যানজট দেখা যায়নি। এ রুটে মতিঝিল শাপলা চত্বর মোড় এবং টিকাটুলিতে গাড়ির কিছুটা চাপ থাকলেও ভোগান্তি ছাড়ায় চলাচল করা যাচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীতে কথা হয় তুরাগ পরিবহনের চালক মো. আলা মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, বাড্ডা ও রামপুরায় যানজট নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে গেছে। সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা সবসময় এখানে যানজট লেগে থাকে। এমনকি বন্ধের দিন শুক্র-শনিবারও এই অঞ্চলে যানজটে পড়তে হয়। প্রতিদিনের মতো আজ সকালে বাড্ডা ও রামপুরায় প্রচণ্ড যানজটে পড়তে হয়েছে। তবে আবুল হোটেল পার হওয়ার পর তেমন যানজট ছিলো না।

jagonews24

মতিঝিলে কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী রিফাত হাসানের সঙ্গে। মিরপুর থেকে মতিঝিলের অফিসে আসা রিফাত বলেন, মোটরসাইকেলে আগারগাঁও থেকে বিজয় সরণি পর্যন্ত বেশ যানজটে পড়তে হয়েছে। তবে বিজয় সরণি পার হওয়ার পর সাত রাস্তা পর্যন্ত তেমন যানজট ছিলো না। বেইলি রোড এসে আবার যানজটে পড়তে হয়েছিল। এভাবেই কোথাও ফাঁকা রাস্তা, কোথাও যানজট মাড়িয়ে অফিসে এসেছি।

মিরপুর ৬০ ফিট, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, তেজগাঁও অঞ্চল ঘুরে জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মুরাদ হুসাইন জানান, ৬০ ফিটে গাড়ির তেমন চাপ নেই। ফলে যানজট ছাড়ায় চলাচল করা যাচ্ছে। তবে আগারগাঁও, বিজয় সরণি ও তেজগাঁও অঞ্চলে কিছুটা যানজট রয়েছে। ফলে এসব অঞ্চলে গাড়ি ধীরে চলছে।

জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদুজ্জামান তন্ময় ধানমন্ডি, জিগাতলা, সাইন্সল্যাব, শুক্রাবাদ, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার অঞ্চল ঘুরে জানান, জিগাতলা, সাইন্সল্যাব, শুক্রাবাদ এবং ফার্মগেটে গাড়ির বেশ চাপ রয়েছে। ফলে এসব রুটের যাত্রীদের যানজট ঠেলে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে হচ্ছে।

এমএএস/জেএস/এমআরএম/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]