ভুয়া ভিসায় তরুণীকে দুবাইয়ে পাচারের চেষ্টা, ৯৯৯ ফোনে গ্রেফতার ২
পার্লারে কাজ করার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া ভিসায় দুবাই পাচার করার সময় এক তরুণীকে (২৬) উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রতারণার বিষয় বুঝতে পেরে ওই তরুণীর ভাই সহায়তা চেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল করেন। পরে ওই তরুণীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- খিলক্ষেত মধ্যপাড়ার আবদুল করিম ব্যাপারীর ছেলে মো. আবদুল খালেক (৪৩) ও কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার সরাপতি গ্রামের কেরামত আলীর ছেলে ফয়েজুল্লাহ সবুজ (৫৩)।
সোমবার (২৯ মে) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, পরিচিত একজনের মাধ্যমে পার্লারে কাজ করার জন্য দুবাই যাচ্ছিলেন ভুক্তভোগী তরুণী। সোমবার রাত ৯টার দিকে ওই তরুণীর দুবাই যাওয়ার ফ্লাইট ছিল। তবে সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী তরুণীর ছোট ভাইয়ের সন্দেহ হলে তিনি ইউএই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) দূতাবাসে খোঁজ নেন। তখন তারা জানতে পারেন ওই ভিসা ভুয়া। তবে ততক্ষণে ওই তরুণীকে নিয়ে প্রতারকরা বিমানবন্দরে চলে গেছেন এবং ভুক্তভোগীর কাছে কোনো মোবাইল ফোনও ছিল না।
এরপর ভুক্তভোগী তরুণীর ছোট ভাই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯- এ কল করে তার বোনকে উদ্ধারের অনুরোধ করেন। তাৎক্ষণিক এয়ারপোর্ট থানা এবং ইমিগ্রেশন পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হয়। ৯৯৯ ডিসপাচার এএসআই আসাদুজ্জামান সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং কলারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে পুলিশি তৎপরতার খোঁজ-খবর নিতে থাকেন। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করে তার ভাই এবং স্বামীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এসময় এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) প্রতারকচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করে এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
কেএসআর/এমএস