২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ: তাপস

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০৮ পিএম, ২৭ জুন ২০২৩

২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। একই সঙ্গে তিনি বর্জ্য পরিষ্কারের সুবিধার্থে ঈদের দ্বিতীয় দিনের মধ্যে পশু কোরবানি শেষ করার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (২৭ জুন) দুপুরে জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান মেয়র।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে কোরবানি দিলে বর্জ্য অপসরণকারীদের জন্য বর্জ্য অপসারণ করা অমানবিক হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বৃষ্টি হলেও নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি আছে: মেয়র তাপস

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি সবাইকে আহ্বান করবো যেন দুদিনের মধ্যে কোরবানি শেষ করে ফেলেন। তৃতীয় দিনের জন্য যেন না রাখা হয়।

বর্জ্য অপসারণ নিয়ে মেয়র বলেন, ঈদের আগের রাত ১২টা থেকেই আমরা পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ শুরু করবো।

ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে তদারকি শুরু করবো এবং বর্জ্য অপসারণ শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, গতবছর আমরা বলেছিলাম, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করবো। এর আগেও আমরা সফল হয়েছি। এবারও আমাদের সেরকম প্রস্তুতি রয়েছে। বর্জ্য অপসারণে আমরা ৩৫০ এর ওপর যন্ত্রপাতি ব্যবহার করবো।

আরও পড়ুন: কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়াবেন যেভাবে

বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রায় ১০ হাজার জনবল মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত থাকবে বলে জানান মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তদারকি করবো, আমাদের কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অঞ্চলভিত্তিক, ওয়ার্ডভিত্তিক এবং হাটভিত্তিক তদারকি করার জন্য। আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি এবং এবারও আমরা সফল হবো।

মেয়র তাপস বলেন, আমি নিবেদন করবো, তৃতীয় দিনের জন্য যেন কোনো পশু রেখে দেওয়া না হয়। এটা আমার বিনীত নিবেদন। আমরা দেখেছি তৃতীয় দিনেও অনেকে কোরবানি দিয়ে থাকেন, সেই জায়গাটায় আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। কারণ আমাদের সব কার্যক্রমে ৭২ ঘণ্টার পর বিশ্রাম দিতে হবে। আমাদের কার্যক্রম একটানা ৭২ ঘণ্টা চলবে। সুতরাং এটা একটা অমানবিক হয়ে যায় যে, তাদের দিয়ে আবার কাজ করানো। এজন্য আমি সবার কাছে বিনীত অনুরোধ করবো।

আরও পড়ুন: আসামিরা জেলে থাকলে ফাঁকা ঢাকায় চুরি-ডাকাতি কম ঘটবে

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, বর্জ্য রাখার জন্য থলে, স্যাভলন, ব্লিচিং পাউডার দিচ্ছি। বর্জ্য সংগ্রহ করার জন্য যে সামগ্রী দরকার সেগুলো আমরা দিচ্ছি।

এফএইচ/জেডএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।