বাংলাদেশ-কোরিয়ায় নিয়মিত ফ্লাইট চালাতে চায় জিন এয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৩ এএম, ১২ নভেম্বর ২০২৩

এবার বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে নিয়মিত সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এয়ারলাইন্স-জিন এয়ার। এরই মধ্যে এয়ারলাইন্সটি গত ৩ বছরে ঢাকা এবং ইনচিওনের মধ্যে ১২১টি সফল বাণিজ্যিক চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ক্যারিয়ার কোরিয়ান এয়ার গ্রূপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জিন এয়ার এরই মধ্যে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কাছে চলতি বছরের অক্টোবরে অনির্ধারিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন করেছে।

জিন এয়ার কর্তৃপক্ষ মনে করে বাংলাদেশ-কোরিয়া সরাসরি রুটটি প্রচুর সম্ভাবনাময়। তাদের মতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এছাড়া কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি দুই দেশের পর্যটক বিনিময় বাড়ছে দিন দিন।

করোনা মহামারিতে বিশ্ব যখন বিপর্যস্ত তখন কোরিয়া ও বাংলাদেশে সরাসরি বাণিজ্যিক চার্টার্ড ফ্লাইট চালু করে জিন এয়ার। এর ফলে, কোভিডে আটকে পড়া কোরিয়ান ও বাংলাদেশি উভয়ের কাছেই আশার আলো হয়ে দাঁড়ায় জিন এয়ার। এরপর জিন এয়ার সফলভাবে মোট ১১২টি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। যাত্রী পরিবহন করছে ২৭ হাজার ৭ জন, যার মধ্যে প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ১১৮ জন।

করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে জিন এয়ার কোভিড শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড-বোয়েলসের চাহিদা পূরণ করেছে। এছাড়া বোয়েলস তাদের দেওয়া প্রশংসাপত্রে বলেছে, জিন এয়ার থেকে অসামান্য এবং নিরবচ্ছিন্ন চার্টার্ড ফ্লাইট সহায়তা ছাড়া বাংলাদেশি ইপিএস কর্মীদের দক্ষিণ কোরিয়ায় ভ্রমণ করা অসম্ভব। বাংলাদেশি ইপিএস কর্মীদের নিরাপত্তা এবং পেশাদারত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিন এয়ার তার চার্টার্ড বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালিয়েছে মাত্র ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে যেখানে কোনো অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করেনি জিন কর্তৃপক্ষ।

এমএমএ/এমআইএইচএস/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।