বন্ধু তুমি, শত্রু তুমি


প্রকাশিত: ০৭:৩৪ এএম, ০৮ জুন ২০১৫

১.
অফিসের শেষ মুহূর্তের কাজগুলো গুছিয়ে নিচ্ছিলাম এমন সময়ই রুমে প্রবেশ করলো সৈকত ও রোহান। কেমন আছো? জানতে চাইলে উত্তর পেলাম- ভালো। তবে রোহান জানালো ওর একটু সমস্যা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওকে সাময়িকভাবে ছুটি দেয়া হয়েছে। অনেকটা বরখাস্তই বলা যেতে পারে। শুনে মনটা একটু খারাপই হয়ে গেল। মেধা-মনন ও সৃজনশীলতায় পরিপূর্ণ চৌকস এই ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন এ ধরনের শাস্তি দিলেন তার প্রেক্ষাপট শুনে থমকেই যেতে হলো।

অতিমাত্রায় জানার আগ্রহ শিক্ষককে করেছে বিরক্ত, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাকে ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীকে সামাল দিতে হয় এক্ষেত্রে রোহানের কতশত প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতো সময় তার থাকে না। এক পর্যায়ে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। রোহান হয়ে যায় বন্ধুবিহীন, নিঃসঙ্গ। তার একমাত্র আশ্রয় হয়ে ওঠে ফেসবুক। যত রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ প্রকাশ পেতে থাকে ফেসবুকের পাতায় পাতায়। নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাতের ঘুম হারাম করে ও বুঁদ হয়ে থাকে ফেসবুক নিয়ে। নানা সময়ে ফেসবুকের ওয়ালে শিক্ষককে নিয়ে ব্যঙ্গ কটুক্তির কথাও আস্তে আস্তে ডিপার্টমেন্টে চাউর হয়ে যায়, এক পর্যায়ে ধরে নেয়া হয় রোহান মানসিকভাবে অসুস্থ এবং একারণেই অসময়ের এই ছুটি। যা আসলে শাস্তিও বটে! রোহানের পরিবারের কাছে ফেসবুক হয়ে গেল মূল ভিলেন।

২.
সানজিদা অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে বেসরকারি একটি কলেজে। ক্লান্ত দুপুরে কাঠফাটা রোদ্দুরে এসে হাজির। এ অসময়ে ওকে দেখতে পেয়ে প্রশ্নবোধক জিজ্ঞাসাতে তাকাতেই জানালো সাভার থেকে এসেছে।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল ঘটে যাওয়া সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডির ঘটনা বাংলাদেশসহ নাড়া দিয়েছিল পুরো বিশ্বকে। হাজারখানেক মানুষ নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছিলেন শত শত শ্রমিক। ওই দুর্ঘটনায় কেউ হারিয়েছেন তাদের হাত কেউবা পা এবং তারাই হচ্ছেন পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি।

সানজিদা জানালো কলেজ শেষে ও প্রায় প্রতিদিনই সাভার যাচ্ছে এবং প্রতিনিয়তই তাগাদা অনুভব করছে কিছু একটা করা উচিত এই অসহায়, আহত শ্রমিকদের জন্য। ওর সামর্থ্য কম কিন্তু আছে দৃঢ় মনোবল। তাই সে একটা উপায়ও বের করে ফেললো। আর তা হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুকের মাধ্যমেই সে আহ্বান জানালো এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর, তাদের রোজগারের যেকোনো একটা পথ খুঁজে বের করার। যথারীতি সাড়াও পেল ব্যাপক। তালিকায় থাকা বন্ধুদের সুবাদেই ও সংগ্রহ করে ফেললো ১০টি সেলাই মেশিন এবং নগদ চল্লিশ হাজার টাকা। যা দিয়ে আহত ১০ জন নারী শ্রমিকের ঘরে বসে রোজগারের ব্যবস্থা হয়ে গেল।

৩.
লোকসাধক লালন সাঁইজির স্মরণে আয়োজন করা হলো ‘সাধুসঙ্গ’র। আয়োজক আনুশেহ আনাদিল ও তার বন্ধুরা দিনক্ষণ ঠিক করে অংশগ্রহণের আহ্বান জানালেন ফেসবুকে। ডাকে সাড়া দিয়ে ‘এটেন্ডিং লিস্টে’ নাম এলো হাজারখানেক বন্ধুর। এভাবেই হাজার হাজার ভক্তের সমাবেশে দুই দিন ধরে পালিত হলো ‘সাধুসঙ্গ’র অনুষ্ঠান। রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর রামনগর গ্রামে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে মানুষ যোগ দিয়েছিল শিকড়ের টানে। নগরকেন্দ্রিক তরুণ প্রজন্মের কাছে লালন পরিচিত হলেন নবরূপে।

৪.
গণজাগরণ মঞ্চের কথা এখনো আমাদের স্মৃতিতে উজ্জ্বল। মাত্র কয়েকজন মানুষ ফেসবুকে আহ্বান জানিয়ে অবস্থান নেয় শাহবাগ চত্বরে। যুদ্ধাপরাধীদের যথাযথ শাস্তির দাবি জানিয়ে যা পরবর্তিতে রূপ নেয় গণজোয়ারে।

ওপরের সবগুলো ঘটনা বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে ঘটলেও মাধ্যম কিন্তু একই। আর তা হচ্ছে ফেসবুক। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের প্রভাব এতটাই বিস্তৃত হয়েছে যে গবেষকরা একে দেখছেন অত্যন্ত শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে। বাংলাদেশ এবং মিসর ছাড়াও বাহরাইন, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, সিরিয়াসহ আরব বিশ্বের অনেক দেশের মুক্তিকামী মানুষরা একত্রিত হয়েছেন এই ফেসবুক ব্যবহার করেই। পশ্চিমা বিশ্বের নেতারাও নির্বাচনকালীন সময়ে প্রচার-প্রচারণার জন্য ফেসবুক ব্যবহারের কথা ভুলেন না।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মার্ক জুকারবার্গ ডরমেটরিতে বন্ধুদের জন্য ‘ফেসবুক’ নামের নেটওয়ার্কটি তৈরি করেন ২০০৪ সালে, বিশ্বব্যাপী যার বর্তমান ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮০ কোটির উপরে। শুরুতে যা ছিল হার্ভার্ড ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ তা আজ ছড়িয়ে গেছে বিশ্বময়। অবস্থা এমন যে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলেই নয়। বাংলাদেশে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি। ফেসবুকের তথ্যানুযায়ী প্রতিদিন এর সঙ্গে দু’লাখ নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে। এ ধরনের সাইটকে সমাজবিজ্ঞানীরা একটি মানচিত্রহীন পৃথিবী হিসেবে অভিহিত করছেন।

ফেসবুক একটি সম্পূরক যোগাযোগ মাধ্যম হলেও এটি সব বয়সের মানুষের কাছে প্রিয় একটি মাধ্যম। কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে পুরনো বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া, নিজস্ব মত প্রকাশের স্বাধীনতা, পণ্য প্রসারের অর্থাৎ মার্কেটিংয়ের দারুণ এক প্লাটফর্ম।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে সামাজিক যোগাযোগের উন্নয়ন, মানুষকে স্থান, কাল, ভৌগোলিক পরিধিবিষয়ক বাস্তবতাকে খুব বেশি মাত্রায় নিজ চিন্তার সঙ্গে যোগ করে নিয়েছে, যা এক ধরনের সামাজিক বিপ্লবও বটে। যার ফলে একই সঙ্গে ঘরের- মনের কথা আর উচ্চমার্গীয় বিশ্লেষণী চিন্তার কথা পরস্পরকে শেয়ার করা যায়। কেউবা ভাবছেন সামাজিক কিছু ব্যাধিকে বাড়িয়ে দিয়েছে ফেসবুক কিংবা এ ধরনের ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক সাইটগুলো।

বিশ্লেষকরা ফেসবুক আসক্তির পেছনে একটি কারণ হিসেবে মনে করেন একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিস্বাধীনতার পূর্ণরূপটি ফেসবুকে প্রয়োগ করার সুযোগ পায়। তাই সবদিক থেকে নিন্দনীয় হলেও এ ধরনের সাইট মানুষকে অনেক ক্রিয়াশীল করে তুলেছে।  

উন্নতবিশ্বে এ ধরনের যোগাযোগ সহজলভ্য হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মোট জনসংখ্যার বড় একটি অংশই এর আওতার বাইরে, যারা এ ধরনের যোগাযোগের বিষয়টিকে এখনো বুঝেই উঠতে পারেননি। এর কারণ হিসেবে গবেষকরা বলছেন, কমমূল্যে পর্যাপ্ত ডিভাইস এবং ডিভাইস ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকা।

তবে এসব অঞ্চলের নগরবাসীদের মধ্যে এখন তীব্রভাবে সামাজিক যোগাযোগের অনুপ্রবেশ করেছে। আবার শহরের যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের একটা বড় অংশই শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী। এদের ৮৫ শতাংশ অভিভাবকেরই সোশ্যাল কমিউনিকেশন বিষয়ে সঠিক ধারণা নেই। যার কারণে তাদের সন্তানেরা আসলে সোশ্যাল সাইট কী কাজে ব্যবহার করছে তার কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না।

মনোবিজ্ঞানী ল্যারি রোজনের মতে, মাত্রাতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহার মানুষের ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তার পরিসরকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে এর ফলে অনেক ব্যবহারকারীর চিন্তার অপরিপক্কতা এর মূল কারণ। বিভিন্ন জনের আপলোড করা পোস্ট বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন যে, শহরের বয়স্ক ব্যবহারকারীরা দেশের অসংগতি তুলে ধরেন। মফস্বলের ব্যবহারকারীরা সেখানে কমেন্টস করছেন, নিজের মতামতকে প্রাধান্য দিচ্ছেন না। অপরদিকে গ্রামের ব্যবহারকারী অনিয়মিত হওয়ার কারণে সঠিকভাবে যোগাযোগই করতে পারছেন না।

নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য ফেসবুকের ব্যবহার তুলনাহীন। দেশে কিংবা বিদেশের আলোচিত খবরের সন্ধান মেলে ফেসবুক থেকে। সিলেট শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের এ সাইটে প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগের নতুন মাত্রা যেমন মোবাইল কানেক্টিভিটি, ফটো/ভিডিও শেয়ারিং, ব্লগিং সংযোজিত হচ্ছে। নেটওয়ার্কিং, বন্ধুত্ব কিংবা অন্য কোনো ধরনের সম্পর্ক তৈরির পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি তারা ভিন্ন সাংস্কৃতিক মুল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে।

তাছাড়া এ সাইটগুলোর ব্যবহারকারীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যে অভিনব সম্প্রদায়গত মানসিকতার জন্ম দিচ্ছে, এটি ‘অনলাইন সোসাইটির’ বৈশিষ্ট্য বহন করে। ‘অনলাইন সোসাইটির’ সদস্যদের মধ্যে ‘অনলাইন সামাজিক মিথস্ক্রিয়া’র কারণে আমরা এক ধরনের ‘সোশ্যাল ক্যাপিটাল’ খুঁজে পাই যা ‘অনলাইন সোসাইটি’তে বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সেবাপ্রাপ্তি সহজলভ্য করেছে।

ফেসবুকের সঙ্গে আমার সখ্য ২০০৮ সালে। অনেকেই তখন নতুন এই মাধ্যমটি ব্যবহার করতে শিখে গেছেন। তখন ফেসবুক মানেই হচ্ছে নতুন নতুন বন্ধু বানানো আর ছবি পোস্ট করা অর্থাৎ মোটামুটি বিনোদনের একটা জায়গা। কিন্তু ফেসবুকের গণ্ডি বিনোদন কিংবা শুধু যোগযোগের মধ্যেই থেমে থাকেনি। এটাই এখন অনেকের কাছে লাইফস্টাইল, আর এ কারণেই ফেসবুক হয়ে উঠেছে মার্কেটিংয়ের মোক্ষম একটা মাধ্যম।

একটা সময় ছিল আমরা নতুন কোনো পণ্য সম্পর্কে ধারণা পেতাম টিভি থেকে না-হয় খবরের কাগজ থেকে। মডেলরা বিভিন্নভাবে জানাতেন পণ্যের গুণাগুণ ও ব্যবহার সম্পর্কে। আর এখন আমরা ফেসবুক বন্ধুদের মাধ্যমেই জেনে যাচ্ছি কী তার ভালো লেগেছে আর কী তার খারাপ লেগেছে।

বর্তমানে ফেসবুকের যে ৮০ কোটির অধিক ব্যবহারকারী আছেন তাদের বড় একটা অংশ হতে পারে সম্ভাব্য কাস্টমার। এখন এ সামাজিক মিলনমেলায় নিজের পণ্য বা সেবা তুলে ধরতে না পারাটা নিজেদের ব্যর্থতারই শামিল। দেখা যাচ্ছে একেকজন ব্যবহারকারী ৮০ টিরও বেশি গ্রুপ, পেজ বা ইভেন্টের সঙ্গে যুক্ত। তাই ফেসবুকে নিজের প্রতিষ্ঠান বা সেবাকে সম্পৃক্ত করাটা এখন আর বিলাসিতার পর্যায়ে পড়ে না বরং তা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফেসবুক আরো একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে আর তা হলো এসএমই বা ক্ষুদ্রব্যবসা প্রসারের ক্ষেত্রে। বর্তমানে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের মার্কেটিংয়ের অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে এ ফেসবুককে। প্রশ্ন আসতে পারে ফেসবুকের মাধ্যমে কীভাবে পণ্য বা সেবার মার্কেটিং শুরু করা যায়?

বিভিন্নভাবে হতে পারে যেমন, প্রথমে একটি পেজ খোলা যেতে পারে যেখানে থাকবে প্রতিষ্ঠান বা পণ্যটির প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য (কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান, ঠিকানা, কী ধরনের সেবা প্রদান করে ইত্যাদি)। পছন্দমত একটি লোগো, প্রোফাইল ছবি ইত্যাদি দিতে হবে শুরুতেই। পরবর্তীতে ঠিক করতে হবে গ্রাহক, সম্ভ্যাব্য গ্রাহক এবং অন্যান্য সম্ভাবনাসমূহকেও। তারপর টার্গেট গ্রুপের কাছে নিজ প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের ইনভাইট করা বা অ্যাড রিকোয়েস্ট পাঠানো যেতে পারে। এভাবেই টার্গেট গ্রুপের কাছে নিজ প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানানোর পাশাপাশি নিশ্চিত করা গেল যে ভবিষ্যতের যেকোনো আপডেট নিউজ সহযোগীদের কাছে পৌঁছে যাবে।

অন্য সবকিছুর মতোই ফেসবুক ব্যবহারের ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি কিছু নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহার তরুণ সমাজকে আসক্তির পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে কর্মবিমুখ করে তুলতে পারে। যেহেতু ফেসবুকের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক মুল্যবোধগত পরিবর্তন আসে। এক্ষেত্রে, মূল্যবোধ বিবর্জিত কোনো সাংস্কৃতিক উপকরণ দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ থাকে।

ফেসবুক ব্যবহারকারীকে নিজ উদ্যেগেই ইতিবাচক দিকগুলোকে গ্রহণ করতে হবে। অলস সময় কাটানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার না করে ফেসবুককে সৃষ্টিশীল কাজে ব্যবহার করলেই সৃজনশীলতার অনেকগুলো দরজা। এ আলোচনায় মাত্র কয়েকটি পথের কথা বলার চেষ্টা করেছি, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করতে করতেই আরো অনেক পথের দরজা খুলে যাবে।

লেখক: - বিভাগীয় প্রধান, গ্রন্থাগার বিভাগ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি

এইচআর/এএ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।