আইএল টি-টোয়েন্টি
এমআইকে ফাইনালে তুলে ম্যাচসেরা সাকিব
জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়ে পড়া সাকিব ফুরিয়ে যাননি। বারংবার সেই বার্তাই দিয়ে যাচ্ছেন তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। গেল একবছর ধরে নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। পারফরম্যান্স অনেকবেশি ভালো না হলেও, ফেলে দেওয়ার মতো নয়।
বড় ম্যাচের খেলোয়াড়দের যেই চরিত্র, তা যে সাকিবের মাঝে আছে সেটি তো সবারই জানা। যেমন ইন্টারন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি লিগে এমআই এমিরেটসকে ফাইনালে তুললেন তিনি। আবুধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৩৮ ও বল হাতে নিয়ন্ত্রিত ছিলেন সাকিব। ৭ উইকেটের জয়ে দ্বিতীয়বার ফাইনালে নাম লেখালো এমআই।
গতকাল শুক্রবার শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আবুধাবিকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় এমআই এমিরেটস। কিন্তু মোটেও সুবিধা করতে পারেনি আবুধাবি। অলআউট না হলেও এমিরেটসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০ ওভার ব্যাটিং করে মাত্র ১২০ রান করতে সমর্থ হয় তারা।
আবুধাবির হয়ে ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত ছিলেন আলিশান শারাফু। এটাই দলের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান আসে ওপেনার অ্যালেক্স হেলসের ব্যাট থেকে। অপরাজিত পিয়ুশ চাওলাসহ ৭ ব্যাটার পার হতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে।
এমআইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন গজনফর। দুটি করে মোহাম্মদ রহিদ ও ফজলহক ফারুকি। উইকেট না পেলেও ৪ উইকেটে মাত্র ২০ রান খরচ করে নিয়ন্ত্রিত ছিলেন সাকিব।
১২১ রানের লক্ষ্য জবাব দিতে নেমে ৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় এমআই। ৫ রান করে আউট হন ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার। অন্য ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম ১০ রান করে আউট হন দলীয় ৩৬ রানে। এরপর ৮২ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রিত নিয়ে আসেন টম ব্যান্টন ও সাকিব আল হাসান।
২৪ বলে ৩৮ রান করা সাকিব আউট হন দলীয় ১১৮ রানে। ৫ চার ও ১ ছক্কায় ইনিংস সাজান তিনি। বাকি ৪ রান আদায় করতে কোনো সমস্যা হয়নি ব্যান্টনের। ৫৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ইনিংস সাজিয়েছেন তিনি। ৭ উইকেটের জয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে এমআই।
আবুধাবির হয়ে অজয় কুমার শিকার করেন দুটি ও একটি উইকেট পেয়েছেন সুনিল নারাইন।
আগামীকাল (৪ জানুয়ারি) ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে ফাইনালে মুখোমুখি হবে এমআই এমিরেটস। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।
আইএন