নাসিরকে বোলিংয়ে দেখেই খুশি হয়ে গিয়েছিলেন মঈন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক সিলেট থেকে
প্রকাশিত: ১১:৩৮ এএম, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬

১৮তম ওভার শেষে সিলেট টাইটান্সের স্কোরবোর্ডে জমা হয় ১৩৫ রান। ১৯তম ওভারে নাসিরকে পেয়ে সেটা ১৬৩ রানে নিয়ে যান মঈন আলী। ম্যাচ শেষে ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন স্বীকার করেন, নাসিরকে বোলিং দেওয়া ছিল বড় ভুল। আর মঈন বলছেন, তিনি নাসিরকে বোলিংয়ে দেখেই খুশি হয়ে গিয়েছিলেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ঢাকা ক্যাপিটালসকে ২০ রানে হারিয়েছে সিলেট টাইটান্স। ৮ বলে ২৮ রান আর ২০ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন সিলেটের ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী।

তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ওভার বাকি থাকলেও ১৯তম ওভারে নাসিরকে বল হাতে তুলে দেন ঢাকা অধিনায়ক মিঠুন। এতে অবাক হয়েছিলেন কিনা? প্রশ্নে মঈন বলেন, ‘না। আসলে আমার মনে হচ্ছিল (সে আসতে পারে), কারণ তার ওভার বাকি ছিল। ভেবেছিলাম অফস্পিনার আসতে পারে। অনেক খুশি হয়েছি অফস্পিনার তখন আসায় বা যেকোনো স্পিনার আসলেই বেশ খুশি হতাম। তার বল থেকে রান নেওয়া বাদে আর কোনো উপায় ছিল না আমার। আজকে হয়তো আমার দিন ছিল।’

ব্যাট হাতে ক্যামিওর পর বল হাতে ২০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন মঈন। তার আগে থেকেই আশা ছিল বাকিদের চেয়ে স্পিন ভালো ধরাতে পারবেন। মঈন বলেন, ‘আমি আশা করছিলাম উইকেটে স্পিন ধরবে কারণ ইমাদ ওয়াসিম ভালোই স্পিন পেয়েছে। আমার মনে হয়েছে, আমি তাদের চেয়ে কিছুটা বেশি স্পিন করাতে পারব। স্পিনার হিসেবে বল স্পিন করানোই আমার কাজ। স্পিন করানোর জন্য এটা দারুণ উইকেট ছিল। বল করার জন্য বেশ ভালো সারফেস।’

এর আগে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বিপিএলে খেলেছেন মঈন। তবে কুমিল্লার মাঠে খেলা হয়নি তার। বিপিএলে সিলেটের ঘরের দর্শকদের সামনে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইংলিশ এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘হ্যাঁ অনেকটাই (সিলেটকে সিলেটে জেতানো বেশি স্পেশাল)। যখন ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে খেলবেন, অবশ্যই ব্যাপারটা দারুণ। এর আগে আমি কুমিল্লার (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, বর্তমানে বিলুপ্ত) হয়ে খেলেছি, তবে কখনও কুমিল্লাতে খেলিনি। এখানে সিলেটের দর্শকদের সামনে সিলেটের হয়ে খেলাটা দারুণ ছিল। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আমাদের জেতা দরকার ছিল। দলের জন্য চেষ্টা করেছি জয় এনে দিতে।’

এসকেডি/এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।