মুজিবের জোড়া আঘাত সামলে নিউজিল্যান্ডের ৫ উইকেটে জয়
চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করানোর পর দ্বিতীয় ওভারে মুজিবের পরপর দুই শিকারে ম্যাচ জেতার বার্তা দেয় আফগানিস্তান। তবে সেটি হতে দেয়নি নিউজিল্যান্ডের বাকি ব্যাটাররা। দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করে দলকে এনে দেন ৫ উইকেটের জয়।
১৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মুজিবের স্পিনে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে ফিরে যান দুই কিউইদের দুই ব্যাটার ফিন অ্যালেন (১) ও রাচিন রবীন্দ্র (০)। ১৪ রানে হারায় দুই উইকেট।
তবে অন্য ওপেনার টিম সেইফার্টকে সঙ্গে নিয়ে চারে নামা গ্লেন ফিলিপস গড়েন ৭৪ রানের জুটি। ২৫ বলে ৪২ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হয়ে তিনি ফিরলে ৮৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
ফিলিপস আউট হলেও ওপেনার সেইফার্ট তুলে নেন অর্ধশতক। ৩৬ রানের জুটি গড়েন মার্ক চাপম্যানের সঙ্গে। মোহাম্মদ নবির বলে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি বিদায় নিলে ১২৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ব্ল্যাকক্যাপসরা।
মার্ক চাপম্যান ১৭ বলে ২৮ রান করে বিদায় নিলেও ততক্ষণে ১৫৫ রান হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ফলে ম্যাচ চলে আসে নাগালের মধ্যে। ২৬ বলে দরকার হয় ২৮ রান।
বাকি কাজটুকু সহজেই সেরে ফেলেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও ড্যারিল মিচেল। ৮ বলে ১৭ স্যান্টনার ও মিচেল করেন ১৪ বলে ২৫ করেন। অপরাজিত থেকে দলকে এনে দেন জয়।
আফগানিস্তানে হয়ে মুজিব পান দুই উইকেট। একটি করে উইকেট গেছে ওমরজাই, রশিদ ও নবির ঝুলিতে।
আর আগে, নিউজিল্যান্ডের বোলারদের শাসান গুলবাদিন নাইব। তার ঝোড়ো ফিফটির সঙ্গে বাকি ব্যাটারদের মাঝারি ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় আফগানিস্তান।
চেন্নাইয়ের চিপকে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রশিদ খান। তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেন সতীর্থ ব্যাটাররা।
গুলবাদিন নাইব খেলেন সর্বোচ্চ ৬৩ রানের ইনিংস। ৩৫ বলে ১৮০ স্ট্রাইকরেটে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ চার ও ৪ ছক্কায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন সেদিকুল্লাহ আতাল। ২৭ রান আসে ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন দারউইশ রাসুলি।
শেষদিকে ৭ বলে ১৪ ও ১০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ ১৮০ পার করান আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মোহাম্মদ নবি।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট শিকার করেছেন লকি ফার্গুসন। একটি করে উইকেট গেছে ম্যাট হেনরি, জ্যাকব ডাফি ও রাচিন রবীন্দ্র।
আইএন