প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকলেও অজুহাত দিতে চান না শান্ত

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০০ পিএম, ০৭ মে ২০২৬

ছয় মাস পর আবারও লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। আগামীকাল শুক্রবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মাঠে গড়াবে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতি নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সেসবকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে নারাজ বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বরং ফল নয়, প্রক্রিয়ার দিকেই মনোযোগ রাখতে চান তিনি।

২০২৫ সালের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর আর কোনো টেস্ট খেলেনি বাংলাদেশ। এর মধ্যে ক্রিকেটাররা ব্যস্ত ছিলেন সাদা বলের ক্রিকেট নিয়ে। টেস্ট দলে থাকা ক্রিকেটারদের কেউ কেউ খেলতে পেরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) মাত্র একটি রাউন্ড। আন্তর্জাতিক সূচির ব্যস্ততা ও ঘরোয়া ক্রিকেটের জটিলতায় সবার জন্য পর্যাপ্ত লাল বলের ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

তবুও প্রস্তুতি নিয়ে কোনো অজুহাত দিতে চান না শান্ত। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যারা সাদা বলের ক্রিকেট খেলছিল, তারা যদি লাল বলের ম্যাচ খেলতে পারতো তাহলে আরও উপকার হতো। কিন্তু আমাদের পরিস্থিতিটাও বুঝতে হবে। সত্যি বলতে, সেই সুযোগটা আমাদের ছিল না। যারা অনেক দিন ধরে খেলছে, তারা মানসিকভাবে জানে পরের সিরিজের জন্য কীভাবে প্রস্তুত হতে হয়।’

এরপর তিনি আরও যোগ করেন, ‘ধীরে ধীরে তারা সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করে। আমরা কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগও পেয়েছি। তাই প্রস্তুতি নিয়ে আমি কোনো অজুহাত দিতে চাই না।’

২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। এবারও কি সেই লক্ষ্য? এমন প্রশ্নে শান্ত জানালেন, তিনি হোয়াইটওয়াশ নয়, পুরো সিরিজে ভালো ক্রিকেট খেলাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনো হোয়াইটওয়াশ নিয়ে ভাবি না। এটা ১০ দিনের লড়াই—প্রতি টেস্ট পাঁচ দিনের। এই ১০ দিনে কীভাবে আমরা তাদের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারি, সেটাই আমার মূল লক্ষ্য। ফল নিয়ে ভাবার চেয়ে প্রক্রিয়াটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

এসকেডি/এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।