বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট
জিততে যে কৌশল অবলম্বন করেছিলেন শান্ত
শেষ ২ ঘণ্টায় বাংলাদেশের দরকার ছিল ৭ উইকেটের। পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৫২ রান। আলো থাকলে ৪২ ওভার ব্যাট করার সুযোগ ছিল পাকিস্তানিদের সামনে। ওই অবস্থায় কিন্তু খেলা পেন্ডুলামের মতো দুলছিল। এমনকি পাকিস্তানও জিতে যেতে পারতো।
তখন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর মাথায় কী ছিল? তিনি কি শুধু উইকেট পতনের কথাই ভাবছিলেন? বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেটের পতন ঘটাবে, শুধু এই আশায় বুঁদ হয়ে না থেকে কী ভিন্ন কৌশলও মাথায় ছিল? করে থাকলে কী সেই কৌশল?
বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্তর অনুভব, উপলব্ধি- ওই সময় খেলাটা একদম ‘ফিফটি-ফিফটি’ ছিল। তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যই তাকে কিছু ভিন্ন কৌশল আঁটতে হয়। সেই কৌশলের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শান্ত জানান, তখন তাকে বোলার ব্যবহার, উইকেটের পতন ঘটানো এবং রান নিয়ন্ত্রণের কথাও মাথায় রাখতে হয়েছে। রান নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন ৪ স্লিপ, ১ গালি ও ১ সিলি পয়েন্টের পাশাপাশি ডিপেও জায়গামতো ফিল্ডার রেখেছিলেন, যাতে পাকিস্তানি ব্যাটাররা ওই ক্লোজ-ইনের অতগুলো ফিল্ডারের নাগালের বাইরে দিয়ে বল গলিয়ে ম্যাচ বের করে নিতে না পারে।
শান্তর ব্যাখ্যা, ‘ওই সময় খেলাটা একদম ফিফটি-ফিফটি ছিল। ওদেরও (পাকিস্তানিদের) জেতার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। আমি একটু ইন অ্যান্ড আউট ফিল্ড প্লেসমেন্ট করেছিলাম এবং একটা প্ল্যানই করেছি যে কীভাবে রান না দিয়ে বল করতে পারি। কারণ এই উইকেটে অনেকক্ষণ ডিফেন্স করে থাকাটাও ডিফিকাল্ট। ব্যাক অব মাইন্ডে অবশ্যই ছিল যে, এখান থেকে যেন ম্যাচটা ওরা বের করে না নিতে পারে।’
এআরবি/আইএইচএস