কঠিন চ্যালেঞ্জে দল হিসেবে ভালো খেলার আশা অধিনায়ক তামিমের

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০১:৪৭ পিএম, ২০ জুলাই ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করা যেকোনো ক্রিকেটারেরই আজন্ম লালিত স্বপ্ন। কিন্তু যে পরিস্থিতিতে অধিনায়কত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল, সেটি নিশ্চিতভাবেই কাম্য ছিল না তার। নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার ইনজুরির কারণে একপ্রকার বাধ্য হয়েই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তামিমকে।

চাচা আকরাম খান ছিলেন দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ের অধিনায়ক। যার অধীনে ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। বড় ভাই নাফিস ইকবালও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করেছেন অনুর্ধ্ব-১৭ ও অনুর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে।

সে অর্থে তামিম ইকবাল এখনও পুরোদস্তুর অধিনায়কত্ব করেননি জাতীয় দলের। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে একটি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু পুরো সিরিজের জন্য এবারই প্রথম দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাকে।

সেটিও এমন এক পরিস্থিতিতে, যা হয়তো কখনোই আশা করেননি তামিম। ছুটি চেয়ে আগেই সিরিজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সাকিব আল হাসান ও লিটন কুমার দাস। শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগেরদিন ইনজুরিতে পড়েন নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তরুণ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

যার ফলে তিন ম্যাচের সিরিজের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে হয়েছে ২টি, অধিনায়কত্ব দেয়া হয়েছে বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবালকে। তার অধীনেই আজ (শনিবার) দুপুর ১টায় কলম্বোর উদ্দেশে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ দল।

দেশ ত্যাগের আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম জানিয়েছেন এ সিরিজটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে তার আশা দল হিসেবে ভালো করবে বাংলাদেশ।

তামিম বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় এই সিরিজে অনেক চ্যালেঞ্জিং। শ্রীলঙ্কা তাদের ঘরের কন্ডিশনে অনেক শক্তিশালী দল। তবে এর আগের সিরিজগুলোতে দেখেছি আমরা অনেক ভালো করেছি। এবারও ভালো না করার কোনো কারণ খুঁজে পাই না। আমি সামনের কথা মাথায় নিয়ে এগোচ্ছি। ইতিবাচক দিক খুঁজে নেয়ার চেষ্টা করছি। যেটা বললাম আমাদের জন্য সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ এবং আশা করছি দল হিসেবে আমরা ভালো করবো।’

সিরিজটির গুরুত্ব জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় সিরিজটা আমাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের যে দল যাচ্ছে, এই দলের প্রমাণ করার অনেক কিছু আছে। ইনজুরি এবং অন্যান্য কারণে দলের অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা এই সিরিজে যাচ্ছে না। স্কোয়াডে যারা আছে তারা যদি দুই হাতে সুযোগটি লুফে নেয়, তাহলে সেটা বাংলাদেশ দলের পাশাপাশি তাদের জন্যও ভালো হবে।’

এসএএস/এমকেএইচ