২০-৩০ রানে আউট হওয়া পাপ : তামিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৯ পিএম, ৩০ নভেম্বর ২০২০

লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না ফরচুন বরিশালের সামনে। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে প্রথম পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ দিতে তামিম ইকবালের দলকে করতে হতো ১৫২ রান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিবেচনায় এটি তেমন কঠিন কোনো লক্ষ্য নয়; কিন্তু এ রান করতে পারেননি তামিম, আফিফরা; ম্যাচ হেরেছেন দশ রানের ব্যবধানে।

চলতি বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচ খেলা বরিশালের এটি ছিল তৃতীয় পরাজয়। ম্যাচ হারের পর অধিনায়ক তামিম ইকবাল মেনে নিয়েছেন নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা। বিশেষ করে উইকেটে থিতু হয়েও ম্যাচ শেষ করতে না পারাটা বড় অপরাধ হিসেবেই মানছেন বরিশাল অধিনায়ক।

চট্টগ্রামের দেয়া ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের ১১তম ওভার পর্যন্ত খেলেছেন তামিম। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় তিনি আউট হয়েছেন ৩২ বলে ঠিক ৩২ রান করে। তার মতে, কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে এমন ২০-৩০ রান করে আউট হয়ে যাওয়াটা পাপের মতোই।

শুধু তামিম নন, ভালো শুরুর পর আফিফ আউট হন ২২ বলে ২৪ রান করে। ম্যাচ হারের পর তামিমের উপলব্ধি, ‘টি-টোয়েন্টিতে ২০-৩০ রানে আউট হয়ে যাওয়া পাপের মতো। কারণ আমরা যথেষ্ট বল খেলতে পারি, উইকেটের আচরণ যাচাই করতে পারি। আমি আর আফিফ যেহেতু উইকেটে অনেকক্ষণ থেকেছি, আমাদের অন্তত একজনের উচিত ছিল ম্যাচ শেষ করে আসা।’

বল হাতে ১৫ রান বেশি খরচ করার আক্ষেপটাও রয়েছে বরিশাল অধিনায়কের কণ্ঠে। তবু ব্যাট হাতে দায়িত্ব নিতে না পারায় বিষয়টিই বড় করে দেখছেন তামিম, ‘আমরা দুজনই অভিজ্ঞ, আমাদের দায়িত্ব নেওয়া উচিত ছিল। তারা ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিল, এরপর আমরাও ম্যাচে ফিরেছিলাম। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য এত ভালো ছিল না। আমরা ১৫ রানের মতো অতিরিক্ত দিয়ে ফেলেছি।’

টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচ খেলেছে বরিশাল। প্রথম ম্যাচে জেমকন খুলনার কাছে তারা হেরেছে শেষ ওভারে ৫ বলে ২৪ রান হজম করে। তবে পরের ম্যাচে তামিমের ৭৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করেই মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীকে হারায় বরিশাল; কিন্তু জয়ের ধারাবাহিকতা তৈরি করতে ব্যর্থ হলো তারা। তৃতীয় ম্যাচে হারল চট্টগ্রামের কাছে।

এতে অবশ্য খুব একটা চিন্তার কিছু দেখছেন না তামিম। দলের মাঝে উপভোগের মন্ত্রই ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি, ‘মূল বিষয় হলো, আমরা খেলা উপভোগ করছি কি না। ফলাফল বড় কথা নয়। প্রথম ম্যাচ অনেক রোমাঞ্চকর ছিল। পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আজকে আবার হারলাম। আমরা এই ম্যাচ থেকে কিছু শিক্ষা নিতে পারি। কারণ জয় কখনওই অসম্ভব ছিল না। ওই দুই উইকেটই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ওই সময়ে ভালো ব্যাট করলে ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকত।’

এসএএস/আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]