অ্যাশেজ ও বাংলাদেশ সিরিজ এক কীভাবে হয় : ব্রড

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:২৫ পিএম, ১৩ মে ২০২১

আগামী মাসের ১৮ তারিখ ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে হবে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরের ফাইনাল। অথচ সেখানে খেলতে পারবে না আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড। কেননা চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।

অর্থাৎ নিজেদের দেশে হওয়া ফাইনালে নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকতে হবে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের। যা নিয়ে হতাশ ডানহাতি পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়েই। যেখানে উদাহরণ হিসেবে টেনেছেন বাংলাদেশের কথাও।

ক্রিকেটের শীর্ষ ৯ দেশকে নিয়ে করা এ টুর্নামেন্টে প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল, সব দল খেলবে ৬টি করে সিরিজ এবং লড়বে ৭২০ পয়েন্টের জন্য। সেভাবেই সাজানো হয়েছিল সূচি। কিন্তু করোনাভাইরাসের ধাক্কায় সবগুলো সিরিজ মাঠে গড়ানো সম্ভব হয়নি।

শুধুমাত্র ভারত, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা খেলতে পেরেছে নিজেদের ৬টি সিরিজ। বাকি ছয় দল পুরো ৭২০ পয়েন্ট লড়তেই পারেনি। এ সমস্যা সমাধানে পয়েন্ট হিসেব বাদ দিয়ে, পয়েন্টের শতকরা হিসেব করে দুই ফাইনালিস্ট নির্ধারণ করেছে আইসিসি। যে কারণে ফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে ইংল্যান্ড।

কেননা পয়েন্টের হিসেবে সর্বোচ্চ ৫২০ পেয়েছে ভারত। তারপরেই ছিল ৪৪২ পাওয়া ইংল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ৪২০ এবং অস্ট্রেলিয়ার রয়েছে ৩৩২ পয়েন্ট। এছাড়া সর্বোচ্চ জয়েও ভারতের পরের অবস্থান ইংল্যান্ড। ভারত জিতেছে ১২ ম্যাচ, ইংল্যান্ডের জয় ১১টিতে।

কিন্তু শতকরা হিসেব করতে গিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে নেমে গেছে ইংল্যান্ড। সর্বোচ্চ ৭২.২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ভারত। এরপর নিউজিল্যান্ড (৭০.০%), অস্ট্রেলিয়া (৬৯.২%) এবং ইংল্যান্ড (৬১.৪%) এর অবস্থান। সবচেয়ে কম ৪.৮% পয়েন্ট বাংলাদেশের।

পয়েন্টের শতকরা হারে ইংল্যান্ডের পেছানোর কারণ তারা সবচেয়ে বেশি ২১টি ম্যাচ খেলেছে। এছাড়া ভারত খেলেছে ১৭ ম্যাচ এবং নিউজিল্যান্ড মাত্র ১১ ম্যাচ খেলেই উঠে গেছে ফাইনালে। টেবিলের তলানিতে থাকা বাংলাদেশ খেলতে পেরেছে মাত্র ৭টি টেস্ট ম্যাচ।

দলগুলোর মধ্যে এমন অসমতা মানতে পারছেন না স্টুয়ার্ট ব্রড। তাই প্রশ্ন তুলেছেন এই ফাইনালিস্ট নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়েই। সংবাদসংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশনে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সত্যিই দারুণ একটি পরিকল্পনা। তবে আমি মনে করি এটা এখনও সঠিক পথ পায়নি।’

ব্রড আরও যোগ করেন, ‘এটা প্রথমবার করা হলো। আমি বুঝতে পারছি না, একটা পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজ কীভাবে বাংলাদেশ-ভারতের দুই ম্যাচ সিরিজের সমান হয়! এই টুর্নামেন্টের আইডিয়া দুর্দান্ত। তবে এটার ব্যাপারে এখনও আরও অনেক কাজ করা বাকি। আমাদেরও সুযোগ ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ড যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলে থাকে, তাতে ফাইনালে যাওয়া বেশ কঠিন।’

এসএএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]