নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ জয় করে ফেলেছেন মুমিনুল!

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:০৪ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১

তিনি দলের সবচেয়ে সিনিয়র মেম্বার নন। তবে অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার মুমিনুল। বয়স ও ম্যাচ খেলার সংখ্যা আর অভিজ্ঞতাকে মানদন্ড ধরলে বাংলাদেশ দলের তৃতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ ক্রিকেটার মুমিনুল হক।

কিন্তু সেটাই বিবেচ্য নয়। তিনি অধিনায়ক। মুশফিক-সাকিবের মত দু দ’জন সিনিয়র ক্রিকেটার থাকার পরও এমন শ্রী-হীন পারফরমেন্স আর শোচনীয় পরাজয়ের বড় দায় মুমিনুলের ওপরই বর্তায়। বর্তেছেও। এমন করুণ পরিণতির পর কেমন লাগছে তার? অধিনায়কত্বটা কী খুব কঠিন মনে হচ্ছে? কেমন বোধ করছেন মুমিনুল?

বাংলাদেশে অধিনায়কের জবাব, ‘কঠিন না। চ্যালেঞ্জিং।’ তার বিশ্বাস তিনি এই চ্যালেঞ্জটা নিতে পেরেছেন। মুমিনুল ভড়কে না গিয়ে বলেন, ‘আমি এই চ্যালেঞ্জটা নিতে পেরেছি বলে এই সিটে বসে আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে পারছি। এটা সবাই নিতে পারে না। এটা আমার মনে হয় এক ধরনের প্র্যাকটিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স। আর দল যখন এরকম অবস্থার মধ্যে দিয়ে যায় তখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো এটা আপনি কিভাবে দেখেন। আমি এখনও আশা রাখি এটা চ্যালেঞ্জিং এবং সামনেও চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আমি এটাকে ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছি, আর চাপ পেয়ে বসেনি। আমাকে ভাল জিনিস নিয়ে সামনে এগোতে হবে।’

প্রথম ইনিংসে অতি আক্রমণাত্মক অ্যাপ্রোচ প্রসঙ্গ তুলে মুমিনুল বলে ওঠেন, ‘না কেউ আক্রমণাত্মক খেলেনি।’ তার পাল্টা প্রশ্ন, ‘বলের মেরিট অনুযায়ী যদি সর্বক্ষণ রক্ষণই করেন তাহলে রান করবেন কোন সময়। ওরা ৩০০ রান করেছে, আপনি যদি রক্ষণই করেন তো রান করবেন কখন?’

মুমিনুলের ধারণা যারা আক্রমণাত্মক শটস খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন তারা ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিয়েই শট খেলেছেন। তার ভাষায়, ‘যেখানে বল বেশি টার্ন করেন সেখানে রিস্ক নিয়ে না মারলে হয় না। এটা মনে হচ্ছে, কারণ ওই সময়ে আউট হয়ে গেছে। তো স্কোরিং শট যেগুলো সেখানে তো রান করতে হবে। অ্যাগ্রেসিভ ছিল না, হয়ত আমাদের উপর দিকে রানটা করতে পারি নাই। প্রথম ৪ উইকেটে ভাল জুটি গড়লে নিচের জন্য সহজ হতো।’

এআরবি/আইএইচএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]