যাদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ

৬৫ দিন পর প্রকাশ হলো বাফুফের তদন্ত প্রতিবেদন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৩৩ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০২৩

গত ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগকে দুই বছরের জন্য ফুটবলের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করে ফিফা। এর তিনদিন পর বাফুফে জরুরি সভা করে ফিফা কর্তৃক আনা অভিযোগের অধিকতর তদন্ত করতে যে কমিটি গঠন করেছিল ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল গত ৩০ জুলাই।

প্রতিবেদন বাফুফে সভাপতির কাছে হস্তান্তরের ৬৫ দিন পর বুধবার অনুষ্ঠিত হলো নির্বাহী কমিটির সভা। এ সভায় বাফুফে সভাপতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে সবার মতামত নিয়েছেন। সিদ্ধান্ত হয়েছে বাফুফের পরের সভায় এ প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরো প্রতিবেদন বাফুফে উম্মুক্ত করে দিয়েছে গণমাধ্যমকর্মীদের সরবরাহ করার মাধ্যমে।

১২টি সভা করে কমিটি ৯ পৃষ্ঠার যে প্রতিবেদন দিয়েছে সেখানে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করার হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবু হোসেন, সহকারী অর্থ কর্মকর্তা অনুপম সরকার ও ম্যানেজার অপারেশন মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে শস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদন।

আবু হোসেন ও মিজানুর রহমান এরই মধ্যে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। অন্য দুজন গ্রাসরুট ম্যানেজার হাসান মাহমুদ ও ম্যানেজার কম্পিটিশন জাবের বিন তাহের আনসারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাফুফের সাধারণ সম্পাদক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী। বাফুফের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের দায়দায়িত্ব তার ওপর বর্তায়। তাই কেনাকাটায় প্রক্রিয়াগত যে ত্রুটিগুলো হয়েছে তার দায় সাধারণ সম্পাদকেরও।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না- জানতে চাইলে বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন সভা শেষে বলেছেন, ‘এই সভায় প্রতিবেদন সবাইকে দেওয়া হয়েছে। তাদের মতামত নিয়ে পরের সভায় সিদ্ধান্ত হবে।’

আরআই/আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।