ময়মনসিংহের ত্রিশালে অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৫০ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ময়মনসিংহের ত্রিশালে তৈরি হবে দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া কমপ্লেক্স। রোববার ত্রিশালের সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকায় প্রস্তাবিত এই কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন যুগে প্রবেশ করছে। বিওএ-এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাওয়া দেশের সবচেয়ে বড় এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের আকার হবে প্রায় ১৭৩.৫৯ একর। এটিই হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া কমপ্লেক্স।

ভবিষ্যতে এটি অলিম্পিক ভিলেজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। যার ফলে ভবিষ্যতে দেশে বিভিন্ন বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে রাজধানী থেকে ৯৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ত্রিশাল।

বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া কমপ্লেক্সটি হল ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। এর জমির আয়তন প্রায় ১১৫ একর। দেশের ক্রীড়ার অন্যতম প্রধান আঁতুড়ঘর বিকেএসপি স্থাপিত হয় ১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল।

ত্রিশালে বানার ও নাগেশ্বরী নদীবিধৌত সেনাবাহিনীর এই প্রশিক্ষণ এলাকায় প্রায় ১৭৩.৫৯ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হচ্ছে বিশাল ক্রীড়া স্থাপনা সমূহ। পুরো কমপ্লেক্স জুড়ে ছোট-বড় ও ভিন্নতা অনুযায়ী থাকবে সর্বমোট নয়টি স্টেডিয়ামসহ ১১টি ক্রীড়া স্থাপনা।

র মাঝে থাকবে ছয়টি আধুনিক আউটডোর ও তিনটি ইনডোর স্টেডিয়ামে। সব মিলিয়ে ৩৩টি ডিসিপ্লিনের খেলাধুলার সুযোগ সম্বলিত দেশের সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

বাস্তবায়নাধীন নয়নাভিরাম এই প্রকল্পটির বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সনামধন্য ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড (ইসিবি)। কমপ্লেক্সটির নকশা করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড ও পরামর্শক হিসেবে আছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিএলএ প্লাস লিমিটেড।

আরআই/আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।