আদিবাসীদের আলো দেখাচ্ছেন শচীন
রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার পর থেকেই সংসদে শচীনের উপস্থিতি এবং তার ভূমিকা নিয়ে নানা কথা শোনা গেছে। ক্রিকেটে যেমন ব্যাট হাতে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই এবার কাজের মধ্যে দিয়ে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করলেন শচীন টেন্ডুলকার।
দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত মুম্বইয়ের পূর্ব গোরগাঁওয়ের আদিবাসী অধ্যুষিত অ্যারে কলোনির উন্নয়নের কাজে হাত দিয়েছেন শচীন। ছয়টি শৌচাগার সাথে ফুটপাতও তৈরি হচ্ছে শচীনের এম পি ল্যাডের টাকায়। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন আদিবাসী পরিবারকে ৫০০টি সৌর বিদ্যুৎ চালিত আলো দিয়েছেন শচীন।
অ্যারে কলোনির সবথেকে বড় সমস্যা চিতাবাঘের হানা। শৌচাগার না থাকায় এলাকার মানুষকে খোলা জায়গাতেই শৌচকর্ম সারতে হয়। এর ফলে চিতা বাঘের হাতে পড়ে বহু মানুষের প্রাণ গেছে। এখন সাংসদ শচীনের উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত এবং অনেকটাই নিশ্চিন্ত এলাকাবাসী।
কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ভানিচাপাড়ার শৌচাগারের কাজ প্রায় শেষ। বাকি প্রত্যেকটির কাজ বর্ষা আসার আগেই শেষ হয়ে যাবে। গুনগত মানেও এগুলো অনেক উন্নত। নতুন শৌচাগারগুলি কংক্রিটে ঢাকা। তাছাড়া প্রত্যেকটিতে টাইলস বসানো হচ্ছে। থাকছে জলের ব্যবস্হাও। প্রতিটি শৌচাগারের পেছনে ট্যাঙ্ক বসানো হচ্ছে। আগেরগুলিতে এই ব্যবস্হা ছিল না।
স্হানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, আগে একেবারেই উন্নয়ন হয়নি, তা নয়, কিন্তু আরও অনেক কিছু করার দরকার। তাই অ্যারে কলোনিতে শৌচাগার, ফুটপাথ, সোলার আলো দেওয়ার যে ব্যবস্হা শচীন করেছেন, তাতে উচ্ছ্বসিত স্হানীয় মানুষ।
এমআর/আরআইপি