ভারতের চাপেই মুস্তাফিজকে জরিমানা!


প্রকাশিত: ০৬:৪৪ এএম, ২০ জুন ২০১৫

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-ভারতের একদিনের ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৭৯ রানের হারের পরে অনেকটাই দিশেহারা ভারত। এরই মধ্যে আবার বাংলাদেশি তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ধাক্কা দিয়ে ম্যাচ ফির ৭৫ শতাংশ জরিমানা গুনতে হয়েছে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে।

তবে সব কিছু ছাড়িয়ে নতুন বিতর্ক হল ধোনিসহ টিম ইন্ডিয়ার চাপেই নাকি বাংলাদেশের তরুণ পেসার মুস্তাফিজকে জরিমানা করেন ম্যাচ রেফারি পাইক্রফট। খবর আনন্দবাজার।

ম্যাচ রেফারি এবং আম্পায়াররা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ নিয়ে রাতেই বসে পড়েন। বারবার চালিয়ে দেখা হয় ভারতীয় ইনিংসের পঁচিশ নম্বর ওভার। যেখানে মুস্তাফিজুরকে সজোরে ধাক্কা মেরে রান নিতে যাচ্ছেন ধোনি। ভারতীয় শিবিরে আবার বৈঠকের পর বৈঠক চলতে থাকে। সকাল পৌনে ন’টা নাগাদ ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসে পড়েন চার জন। অধিনায়ক ধোনি। টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রী, সহ অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং টিমের প্রশাসনিক ম্যানেজার বিশ্বরূপ দে।

আনন্দ বাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়,  ব্রেকফাস্ট টেবিলে সবচেয়ে উত্তেজিত চরিত্রের নাম ছিল বিরাট কোহলি। তিনিই নাকি বারবার বলতে থাকেন, দোষ যে করল সে শাস্তি পাচ্ছে না। যে করেনি, সে কেন পাচ্ছে! 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নানাবিধ যুক্তিতর্কের পর ম্যাচ রেফারি সুর নরম করে বলেন, ধোনি এটা ইচ্ছে করে করেননি বোঝা গেল। কিন্তু আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টেই আছে যে, ম্যাচ চলাকালীন সময়ে ধাক্কাধাক্কি হলে জরিমানা অবধারিত। ধোনির তাই ম্যাচ ফি-র পঁচাত্তর শতাংশ কেটে নেওয়া হবে। শাস্ত্রীরা তখন বলেন যে, ধোনি দোষী হলে মুস্তাফিজুরও সম্পূর্ণ নির্দোষ নন। ভারত ঠিক করে ফেলে বাংলাদেশকে যদি না ডাকা হয়, তা হলে আইসিসির কাছে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করা হবে।

কিন্তু যুদ্ধে মহানাটকীয় মোড় এনে ম্যাচ রেফারি এ বার ডেকে পাঠান মুস্তাফিজুরকে। যাঁর আম্পায়ার্স রিপোর্টে নামই ছিল না! কিন্তু ভারতের শুনানির পরে মুস্তাফিজুরকে ডেকে তারও পঞ্চাশ শতাংশ ম্যাচ ফি কেটে নেয়া হয়।

তবে বাংলাদেশ যে সেটা খুব ভালভাবে নেয়নি বলাই বাহুল্য। শুনানি শেষে হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাংলাদেশ বোর্ড প্রেসিডেন্ট বলে দেন, এটা মাঠের ব্যাপার। তবে যা হল সেটা আমাদের পছন্দ নয়।

এমআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।