কক্সবাজারে প্রার্থীর ভাইকে কুপিয়ে জখম
কক্সবাজারে নির্বাচন চলাকালীন কয়েকটি কেন্দ্রে গোলযোগের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছুড়েছে পুলিশ। এসময় অপর একটি কেন্দ্র থেকে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া দুই মেম্বার প্রার্থীর বাকবিতণ্ডায় এক প্রার্থীর ভাইকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, রামু কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মৌলভীকাটা ফোরকানিয়া মাদরাসা কেন্দ্রে বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী নুরুল আমিন কোম্পানীর সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়। এনিয়ে পুলিশের তর্কাতর্কী ও এক পর্যায়ে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ঝিরঝিরিপাড়া, লারপাড়া ও হাজী পাড়া ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে ৭ জনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুপুর ১২টার দিকে তাদের আটক করা হয়। এসময় অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট ফাহমিদা মোস্তফা।
এছাড়া ঝিলংজা চান্দের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে হাফেজ আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি মেম্বার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম (মোরগ মার্কা) এর ছোট ভাই বলে জানা গেছে ।
আহতের স্বজনরা জানান, প্রতিপক্ষ মেম্বার প্রার্থী জাকের হোসেন (ফুটবল)’র লোকজন কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে শহিদুল ইসলাম প্রতিবাদ করেন। তাকে আক্রমণ করতে উদ্যোত হলে ভাইকে রক্ষা করতে আসেন হামিদ। এসময় তাকেও কোপানো হয়। আহতকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, যেকোনো নির্বাচনে কেন্দ্রের বাইরে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। এটা এখন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ভোটগ্রহণে সমস্যা হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সায়ীদ আলমগীর/এফএ/আরআইপি