বেনাপোল বন্দর থেকে এপিবিএন পুলিশ প্রত্যাহার

উপজেলা প্রতিনিধি
উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ০৪:০৭ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৪০ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এবং বন্দরের নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছে জেলা পুলিশ।

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারীদের নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশের ৪০ সদস্য এখানে নিয়োজিত থাকবে বলে জানান বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন রেজা।

প্রাথমিকভাবে ১৫ জন জেলা পুলিশ বন্দরের নিরাপত্তার কাজ শুরু করেছেন। বাকিরা দু‘একদিনের মধ্যে যোগ দেবেন।

গত ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি সাহাজাদা মো. আসাদুজ্জামান সই করা এক চিঠিতে প্রত্যাহারের এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত ৪০ জন এপিবিএন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।

দায়িত্বে থাকা এপিবিএন পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান বলেন, রোববার (১৬ নভেম্বর) ৩ এপিবিএন ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার অ্যাডিশনাল ডিআইজি এসএম সালাউদ্দিন স্যারের নির্দেশে বেনাপোল ক্যাম্প ক্লোজ করে রাতেই খুলনায় আসা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সোমবার থেকে জেলা পুলিশ সদস্যরা বন্দরের নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন রেজা জানান, জাতীয় নির্বাচনে আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশের প্রয়োজন হওয়ায় বন্দর থেকে ৪০ জন আর্মড পুলিশ প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আপাতত পোর্ট থানা পুলিশের ১৫ সদস্য কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা পুলিশ সদস্যরা যোগ দেবেন। এসব পুলিশ সদস্য বন্দরের নিরাপত্তাজনিত সব বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।

বন্দরের তথ্য বলছে, বন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে ২০১২ সালের ৭ জুলাই বেনাপোল বন্দরে নিয়োগ দেওয়া হয় এপিবিএন। বন্দরটিতে এপিবিএন ছাড়াও ১৬৩ জন আনসার সদস্য ও ১৪০ জন বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মী রয়েছে। তারা বন্দরের ৯৩ একর জমিতে স্থাপিত ৩৪টি ওয়্যারহাউস ও একটি কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালের নিরাপত্তা এবং পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণ সংক্রান্ত নিরাপত্তায় কাজ করে থাকে।

মো. জামাল হোসেন/এনএইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।