ভাঙন আতঙ্কে খোলপেটুয়া নদী তীরবর্তী মানুষ
ভাঙনই যেন নিত্যসঙ্গী। একের পর এক বসতভিটা ভেঙেছে আর নতুন বসতি এখান থেকে সেখানে। সকলে বিষয়টি জানলেও কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ে না। ২০০৯ সালে প্রলংকরি আইলায় পর থেকেই এভাবেই দিনাতিপাত করছে সেখানকার মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়ন।
বেড়িবাঁধ ভেঙে গোটা ইউনিয়ন ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়। আইলার পর ভেঙে যাওয়া বাঁধ নামমাত্র সংস্কার করা হলেও একের পর এক ভাঙনের কবলে পড়ে মানুষের ভাঙন আতঙ্ক কাটেনি। 
পদ্মপুকুর ইউনিয়নের ঝাপা, কামালকাটি, চাউলখোলা, চণ্ডিপুর, বন্যতলা, পাতাখালীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে নতুন করে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে প্লাবিত হবে বিস্তীর্ণ এলাকা।
পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাড. আতাউর রহমান জাগো নিউজকে জানান, ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে দু-একটি জায়গায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলা সত্ত্বেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বেশ কয়েকটি পয়েন্টে এখন ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। সংস্কার করা সম্ভব না হলে হাজার হাজার মানুষের আবারো এলাকা ছাড়তে হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ.ন.ম গোলাম সারওয়ার জানান, প্রতি সপ্তাহে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনসহ বর্তমান বেড়িবাঁধের অবস্থার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বাজেট পেলে সংস্কার কাজ শুরু করবো।
আকরামুল ইসলাম/এআরএ/এমএস