একই সময়ে স্বাধীন হলেও অনেক দেশ এগিয়ে গেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছিলাম। আমাদের কাছাকাছি সময়ে পৃথিবীর আরও অনেকগুলো দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু সেই দেশগুলো আজ আমাদের চেয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এখন আমাদের প্রধান কাজ হলো—দেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করা।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কের পাশে বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশের মানুষকে বলেছিলাম খাল খনন করব, সেই কাজ শুরু হয়েছে। মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার ওয়াদাও আমরা পূরণ করেছি। এমনকি ইমামদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে সেই ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এ দেশের মানুষ এক বিশাল স্বৈরাচারের কবলে পড়েছিল। ১৯৭১ সালে যেভাবে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই দেশের মানুষ এবার স্বৈরাচার থেকে মুক্তি পেয়েছে। তবে শুধু দেশ স্বাধীন করলেই হবে না, পরবর্তী কাজ হলো দেশকে পুনর্গঠন করা ও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি-বাকরির নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে। শিক্ষা ও অর্থনীতিতে মা-বোনদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে হবে। বেকার সমস্যা সমাধান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাই এখন সরকারের লক্ষ্য। ইনশাআল্লাহ, নির্বাচনের আগে আমরা যে ওয়াদা দিয়েছি, পর্যায়ক্রমে তার প্রতিটিই পূরণ করা হবে।
কুমিল্লা বিভাগ প্রসঙ্গে তারেক প্রধানমন্ত্রী রহমান বলেন, কুমিল্লার মানুষের দাবি, কুমিল্লা বিভাগ চাই। এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, ইনশাআল্লাহ তাহলে সেটি বাস্তবায়ন হবে।
কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো এবং সব কিছু বিবেচনা করে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করবো। যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।
জাহিদ পাটোয়ারী/কেএইচকে/এমএস