ঝিনাইদহে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ০৯:৪৯ পিএম, ১৮ মে ২০২৬

জেলার সদর উপজেলার মায়াধরপুর গ্রামে বজ্রপাতে সাইদুল ইসলাম (৪৫) নামে এক কৃষক ও শৈলকূপার দামুকদিয়া গ্রামে আন্না খাতুন নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় সদর ও শৈলকূপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৮ মে) বিকেল থেকে জেলায় বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহত সাইদুল ইসলাম ফরিদপুরের কানাইপুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তিনি কুষ্টিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা। বজ্রপাতে অপর মৃত নারী আন্না খাতুন শৈলকূপার দামুকদিয়া গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী। ঝড়ের সময় আম কুড়াতে গিয়ে তিনি বজ্রপাতে আক্রান্ত হন।

মায়াধরপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকাল ৫টার দিকে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় মাঠে ধান কাটা ও বাঁধার কাজ করছিলেন কৃষকরা। এসময় বজ্রপাতে দুই কৃষক আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক কৃষক আসাদুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর কৃষক প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। একই সময় বজ্রপাতে সদর উপজেলার ধোপাঘাটা গোবিন্দপুর, দোগাছি গ্রামে বজ্রপাতে আরও তিন নারী আহত হয়েছেন। তবে প্রাথমিক ভাবে অন্যান্য আহতদের নামপরিচয় পাওয়া যায়নি।

এদিকে বজ্রপাতে শৈলকূপার মনোহরপুর ইউনিয়নের দামুকদিয়া গ্রামে আন্না খাতুন নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টিপাত শুরু হলে ওই নারী আম কুড়াতে বাড়ির বাইরে গেলে বজ্রপাতে আক্রান্ত হন।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডা. ফারিহা তাহসিন বলেন, হাসপাতালে পৌছানোর আগেই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, বজ্রপাতে আক্রান্ত নারী হাসপাতালে পৌছানোর আগেই মারা গেছেন। বজ্রপাতে আহত দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, বজ্রপাতে একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। বিস্তারিত জানার পরে ময়নাতদন্ত সহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এম শাহাজান/এমএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।