যমুনার পানি বিপদসীমার ৪৫ সে.মি. উপরে


প্রকাশিত: ০১:৫০ পিএম, ২৫ জুলাই ২০১৬

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে সারিয়াকান্দি ও ধুনট পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিন পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। সোমবার পর্যন্ত জেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

এদিকে দুর্গত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। তিন উপজেলায় ইতোমধ্যেই ৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর পানি সারিয়াকান্দি ও ধুনট পয়েন্টে সোমবার সকাল থেকে বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরে তা বেড়ে ৪৫ সেন্টিমিটারে দাঁড়ায়।

স্থানীয় প্রশাসনের হিসাব মতে, সারিয়াকান্দি উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৭০ হাজার, ধুনটের দুটি ইউনিয়নের ৩০ হাজার এবং সোনাতলা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী।

সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সারওয়ার আলম জানান, উপজেলার বন্যাদুর্গতদের জন্য এ যাবত মোট ৫০ মেট্রিক টন চাল, ৫০ হাজার টাকা এবং ৩০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলার মোট ৪৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে তিন হাজার হেক্টর জমির ফসল।

ধুনট উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার গোসাইবাড়ী ও ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী। আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে পানি ওঠায় পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।

সোনাতলা উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, এ যাবত উপজেলার মোট তিনটি ইউনিয়নে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এসব ইউনিয়নের ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

এআরএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।