ভৈরবে মায়ের হাতে শিশু খুন


প্রকাশিত: ০৯:৫৩ এএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক মা তার আড়াই বছরের শিশুপুত্র ইয়ামিনকে চুলার ভেতর ফেলে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। শনিবার সকালে ভৈরবের চাঁনপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার খবর শুনে পুলিশ ওই মাকে গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে ভৈরব থানায় একটি মামলা হয়েছে।

শিশুর বাবা মোবারক মিয়া জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত মানসিক রোগে ভুগছে।

এলাকাবাসী জানায়, ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের কৃষক মোবারক মিয়ার ৫ সন্তান ছিল। এর আগেও ওই মা গত বছর তার ৬ বছরের শিশুপুত্র রিফাতকে বাড়ির পাশে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছিল।

শনিবার সকালে (সকাল ৭ টায়) তিনি রান্না করছিলেন। এ সময় শিশুটির বাবা বাড়ির পাশে একটি দোকানে লবণ আনতে যায়। তখন মা হঠাৎ করে তার ওই কোলের শিশুটিকে চুলার ভেতর আগুনে ফেলে দেয়। এ সময় পাশে দাঁড়ানো অন্য সন্তান ঘটনাটি দেখে চিৎকার শুরু করলে বাবা দ্রুত এসে শিশুটিকে চুলা থেকে উদ্ধার করে।

কিন্তু ততক্ষণে শিশুটি দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ঘটনার পর পর মা পালিয়ে তার বাবার বাড়ি চলে যায়। পরে গ্রামবাসী তাকে ধরে পুলিশে দেয়।

শিশুর বাবা মোবারক মিয়া জানায়, তার স্ত্রী আগের সন্তান রিফাতকে পানিতে ডুবে মারার পরই মানসিক রোগ বেড়ে যায়। তার আগে সে এতোটা অসুস্থ ছিল না। তাকে মানসিক রোগ থেকে সুস্থ করতে কবিরাজি চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ভৈরব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বদরুল আলম তালুকদার জানান, ঘটনার খবর শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মাকে গ্রেফতার করেছি।

তিনি বলেন, আমি এলাকাবাসী ও শিশুর বাবার কাছ থেকে জানতে পেরেছি মা শিরিনা বেগম একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আসাদুজ্জামান ফারুক/এসএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।