‘মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই হরতাল’


প্রকাশিত: ১১:২১ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০১৭

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে অপপ্রচার চলছে। দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে আজ হরতাল ডাকা হয়েছে। কিন্তু সেই হরতালে মানুষের সম্পৃক্ততা নেই। আমি ঢাকা থেকে মির্জাপুরে এলাম, কোথাও তো হরতাল দেখলাম না।

বৃহস্পতিবার মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার প্রতিষ্ঠিত ভারতেশ্বরী হোমসে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী।

রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির অর্ধদিবস হরতাল আহ্বানের বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সুন্দরবনকে দূষণ করবে কি করবে না পত্রিকার মাধ্যমে তার দশটি প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর অনেক জায়গায় যেমন জাপান, তাইওয়ান ও জার্মানিতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে তারও ছবি পত্রিকায় দেয়া হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, এ প্রকল্প সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি করবে না।

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। আবাসিকে সংযোগ পেতে যারা ডিমান্ড নোট পেয়েছেন তাদের ধৈর্য ধরতে হবে। আগামী বছরের শুরুতে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করা হবে। তখন সবাইকে গ্যাস সরবরাহের চেষ্টা করবো আমরা।

Mirzapur

জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী বেলা ১১টার দিকে কুমুদিনী হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান। এ সময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. একাব্বর হোসেন এমপি, ভাষাসৈনিক একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রতিভা মুৎসুদ্দি, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল হালিম এবং হোমস ও নার্সিং কলেজের ছাত্রীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

পরে তিনি কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্র শেষে কুমুদিনী হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও ভারতেশ্বরী হোমস পরিদর্শন করেন। এ সময় ভারতেশ্বরী হোমসের ছাত্রীরা মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন।

দুপুরে প্রিন্সিপাল প্রতিভা মুৎসুদ্দি হলে হোমসের ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় তার সহধর্মিনী পল্লী কবি জসীম উদ্দিনের বড় মেয়ে আসমা তৌফিক, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমিন, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে হোমসের ছাত্রীরা নৃত্য পরিবেশন করে।

দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার হাসপাতাল ও ভারতেশ্বরী হোমস সম্পর্কে তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী বলেন, মির্জাপুরের জন্য এটি বিরাট গৌরবের বিষয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি এতো বড় একটা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। যা সবার জন্য গৌরবের বিষয়।

এস এম এরশাদ/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।